ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবার ইরানের কাছেও আসতে পারবে না: সশস্ত্র বাহিনী

  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের ওপর নতুন হামলা চালানো কিংবা চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিবেচনা করছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর ওপর গুলি চালাতে প্রস্তুত।

গেল শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক জনসভায় ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী হয়তো আবারও ‘এপিক ফিউরি’-এর মতো কোনো অভিযান চালাতে পারে, যা যুদ্ধের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে চালানো ব্যাপক বোমা হামলার ঘটনার ইঙ্গিত দেয়। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলার মাধ্যমে সংঘাত দ্রুত শেষ করা উচিত, নাকি নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা উচিত।

তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান আলী আবদোল্লাহি জোর দিয়ে বলেছেন, এই অঞ্চলে যেকোনো জলযানকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা তেহরানের থাকায়, মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় বা তার আশপাশের এলাকায় পুনরায় প্রবেশ করা অসম্ভব।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেবল স্বপ্নই দেখতে পারেন যে, তাদের সৈন্য ও সামরিক বাহিনী আবারও পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করবে। এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাদের চিরতরে কবরে যেতে হবে।’

আবদোল্লাহি আরও বলেন, যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাগাড়ম্বরের মধ্যে একটি মৌলিক স্ববিরোধিতা রয়েছে: ইরানের সামরিক সক্ষমতা যুদ্ধের সময় অনেকাংশেই ধ্বংস হয়ে গেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করে, তা তাদের একটি আচরণের মাধ্যমেই ভুল প্রমাণিত হয়। আর তা হলো, নিজেদের বিমানবাহী রণতরি ও সহযোগী জাহাজগুলোকে ইরানি ভূখণ্ডের কাছাকাছি নিয়ে আসতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকৃতি।

তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর চালানো আকস্মিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে এক ‘কাদামাঠ’ বা গোলকধাঁধায় ‘ডুবিয়ে দিতে’ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর এই ঘটনা আট মাসব্যাপী এক যুদ্ধের সূচনা ঘটিয়ে পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবার ইরানের কাছেও আসতে পারবে না: সশস্ত্র বাহিনী

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের ওপর নতুন হামলা চালানো কিংবা চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিবেচনা করছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর ওপর গুলি চালাতে প্রস্তুত।

গেল শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক জনসভায় ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী হয়তো আবারও ‘এপিক ফিউরি’-এর মতো কোনো অভিযান চালাতে পারে, যা যুদ্ধের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে চালানো ব্যাপক বোমা হামলার ঘটনার ইঙ্গিত দেয়। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলার মাধ্যমে সংঘাত দ্রুত শেষ করা উচিত, নাকি নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা উচিত।

তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান আলী আবদোল্লাহি জোর দিয়ে বলেছেন, এই অঞ্চলে যেকোনো জলযানকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা তেহরানের থাকায়, মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় বা তার আশপাশের এলাকায় পুনরায় প্রবেশ করা অসম্ভব।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেবল স্বপ্নই দেখতে পারেন যে, তাদের সৈন্য ও সামরিক বাহিনী আবারও পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করবে। এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাদের চিরতরে কবরে যেতে হবে।’

আবদোল্লাহি আরও বলেন, যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাগাড়ম্বরের মধ্যে একটি মৌলিক স্ববিরোধিতা রয়েছে: ইরানের সামরিক সক্ষমতা যুদ্ধের সময় অনেকাংশেই ধ্বংস হয়ে গেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করে, তা তাদের একটি আচরণের মাধ্যমেই ভুল প্রমাণিত হয়। আর তা হলো, নিজেদের বিমানবাহী রণতরি ও সহযোগী জাহাজগুলোকে ইরানি ভূখণ্ডের কাছাকাছি নিয়ে আসতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকৃতি।

তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর চালানো আকস্মিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে এক ‘কাদামাঠ’ বা গোলকধাঁধায় ‘ডুবিয়ে দিতে’ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর এই ঘটনা আট মাসব্যাপী এক যুদ্ধের সূচনা ঘটিয়ে পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা