ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেমন পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেমন পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৯৬০ মিলিয়ন ডলার বা ৬ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

রপ্তানির তথ্য সাধারণত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) দিয়ে থাকে, তবে এবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসের রপ্তানির তথ্য জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রধান অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এ দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ শতাংশ। এ ছাড়া সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশই এসেছে পোশাক খাত থেকে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেমন পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮৩ মিলিয়ন ডলার, ৪৬৪ মিলিয়ন ডলার এবং ১৫৭ মিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১১ শতাংশ ও ১০ শতাংশ কমেছে।

সার্বিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কয়েকটি খাতের সম্প্রসারণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা। 

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেমন পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেমন পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৯৬০ মিলিয়ন ডলার বা ৬ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

রপ্তানির তথ্য সাধারণত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) দিয়ে থাকে, তবে এবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসের রপ্তানির তথ্য জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রধান অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এ দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ শতাংশ। এ ছাড়া সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশই এসেছে পোশাক খাত থেকে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেমন পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮৩ মিলিয়ন ডলার, ৪৬৪ মিলিয়ন ডলার এবং ১৫৭ মিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১১ শতাংশ ও ১০ শতাংশ কমেছে।

সার্বিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কয়েকটি খাতের সম্প্রসারণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।