২২৩ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ দর নির্ধারণের তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর আগে, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৮৩৭ টাকায় বিক্রি হতো। নতুন দাম আজ সোমবার রাত ৮টা থেকেই কার্যকর হবে। শুধু ১২ কেজি নয় ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, সৌদি আরামকো ঘোষিত নভেম্বর মাসের সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইস (এসসিপি) এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নভেম্বর মাসের জন্য প্রোপেনের দাম প্রতি মেট্রিক টন ৭২০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের দাম ৭৮০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বেসরকারি এলপিজির পরিবহন, মজুতকরণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণসংক্রান্ত বিভিন্ন চার্জও পুনর্নির্ধারণ করেছে কমিশন। অন্যদিকে, ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৯৯ টাকা ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর এলপিজির মূল্য নির্ধারণের পাশাপাশি মজুতকরণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণ চার্জ পুনর্নির্ধারণ নিয়ে গণশুনানির আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে এলপিজি অপারেটর, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতারা নিজ নিজ পর্যায়ের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব তুলে ধরেন।
গণশুনানিতে কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে বোতলজাতকরণ চার্জ প্রতি কেজিতে ১৫ থেকে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ থেকে ৩০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়। একইভাবে ডিস্ট্রিবিউশন চার্জ ৪ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৩ পয়সা এবং খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ ৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১০ টাকা করার দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া ডিস্ট্রিবিউটররা ১২ কেজির সিলিন্ডারপ্রতি নিজেদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা ৪৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা করার প্রস্তাব দেন।
গণশুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত ও আপত্তি জানানোর জন্য ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল কমিশন। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিনেই নতুন মূল্য ঘোষণা করল বিইআরসি।

















