জাপানের সোজিৎসু করপোরেশন ও বাংলাদেশের এনার্জিপ্যাক চট্টগ্রামে সমুদ্রবন্দর ও জ্বালানি শিল্পপার্ক নির্মাণে ২০০ কোটি ডলারের একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি অংশগ্রহণ চায়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য তারা সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে। মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করতে পিপিপি মডেল অনুসরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশনের পরিচালক নুরুল আখতার।
প্রকল্পে সরকারকে সম্পৃক্ত করতে সোজিৎসু ও এনার্জিপ্যাক ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছে।
নুরুল আখতার বলেন, এ ধরনের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পিপিপি মডেল সবচেয়ে উপযোগী। এ পদ্ধতিতে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ঋণ সংগ্রহ করা সহজ হয়।
প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী, সমুদ্রবন্দরের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করতে ২০২৪ সালের মধ্যে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। পূর্ণাঙ্গ সমুদ্রবন্দর নির্মাণে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে ২০০ কোটি ডলার।
নুরুল আখতার বলেন, বন্দরটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হবে এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলটির কার্যক্রমে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল পুরোদমে চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রম সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না। এ কারণে অর্থনৈতিক অঞ্চলকেন্দ্রিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনায় সেখানে একটি আধুনিক ও দক্ষ সমুদ্রবন্দর অত্যন্ত প্রয়োজন।
নুরুল আখতারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বন্দরে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টন পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার জাহাজ ভেড়ানো যায়।
চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণের আর কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
এদিকে, প্রকল্পের জন্য জমি পেতে সোজিৎসু ও এনার্জিপ্যাক ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জমি ইজারা চুক্তি সই হতে পারে।
চুক্তি সম্পন্ন হলে প্রতিষ্ঠান দুটি চূড়ান্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করবে। পাশাপাশি অর্থায়নের জন্য বিশ্বব্যাংক ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কাছে প্রস্তাব দেবে।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল পুরোদমে চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রম সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না। এ কারণে অর্থনৈতিক অঞ্চলকেন্দ্রিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনায় সেখানে একটি আধুনিক ও দক্ষ সমুদ্রবন্দর অত্যন্ত প্রয়োজন।
নুরুল আখতারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বন্দরে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টন পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার জাহাজ ভেড়ানো যায়।
চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণের আর কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
এদিকে, প্রকল্পের জন্য জমি পেতে সোজিৎসু ও এনার্জিপ্যাক ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জমি ইজারা চুক্তি সই হতে পারে।
চুক্তি সম্পন্ন হলে প্রতিষ্ঠান দুটি চূড়ান্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করবে। পাশাপাশি অর্থায়নের জন্য বিশ্বব্যাংক ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কাছে প্রস্তাব দেবে।
বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, আরাইহাজারে জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চলে জাপানের বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সুমিতোমো করপোরেশনের বিনিয়োগ পরিকল্পনা সোজিৎসু করপোরেশনকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে জ্বালানি, অবকাঠামো, শিল্পপার্ক ও বন্দরসুবিধা উন্নয়ন সোজিৎসুর বিনিয়োগ পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
সোজিৎসুর পরিকল্পনা অনুযায়ী, বন্দরের মাধ্যমে বাল্ক পণ্য ওঠানো-নামানোর সুবিধাসহ একটি অবকাঠামো প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। সেখানে বড় আকারের মাদার ভেসেল বা পণ্যবাহী জাহাজ নোঙর করতে পারবে।
নুরুল আখতার বলেন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও জায়গার অভাবে চট্টগ্রাম বন্দর বর্তমানে বাল্ক পণ্য পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত সেবা দিতে পারছে না। সোজিৎসু এ সেবা নিশ্চিত করলে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমবে।
জাপানি প্রতিষ্ঠানটি যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক, চিকিৎসাসামগ্রী, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কয়লা, খাদ্য ও বস্ত্রসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা গড়ে তুলতেও আগ্রহী।
নুরুল আখতার বলেন, প্রস্তাবিত সমুদ্রবন্দর ও শিল্পপার্কে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি সরবরাহব্যবস্থা ও জাহাজ চলাচলসহ বিভিন্ন খাতে নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, দক্ষ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ছাড়া বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এত বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া সত্যিই কঠিন।
নুরুল আখতার আরও বলেন, এ ধরনের বন্দর পরিচালনায় সোজিৎসুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রকল্পটিকে আন্তর্জাতিক মানের বন্দরে পরিণত করতে এতে জাপানের একটি শীর্ষস্থানীয় বন্দর কর্তৃপক্ষকেও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র: ডেইলি স্টার




















