হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। হাসপাতালে স্বজনদের চোখে অনিশ্চয়তা আর উৎকণ্ঠা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু হাসপাতালনির্ভর চিকিৎসাই নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায়ও দিতে হবে সমান গুরুত্ব। পাশাপাশি, ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শনাক্ত করে ৯৫ ভাগ টিকা নিশ্চিতের পরামর্শ তাদের।
জ্বর দিয়ে শুরু, এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি। সময় মতো সঠিক চিকিৎসা না পেলেই বাড়ে জটিলতা। বিশেষ করে, শিশুদের ক্ষেত্রে হাম ও ডেঙ্গুর গুরুতর উপসর্গে চরম উৎকণ্ঠায় পরিবারগুলো।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, টিকাদান কর্মসূচি চালু হলেও কেন সংক্রমণের এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু হাসপাতাল নির্ভর চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায়ও দিতে হবে সমান গুরুত্ব। সংকট বাড়ার আগেই টিকা না পাওয়া শিশুদের শনাক্তের পরামর্শ তাদের।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকা দেয়া গেলে হাম নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু এটা কঠিন। এখন আরও কঠিন হয়ে গেছে। কারণ আমরা ক্যাম্পেইন করে টিকা দিয়েছি। এখন সবাই ভাবছে, টিকা দেয়া হয়ে গেছে। আবার আমরা যখন ক্যাম্পেইন করতে যাচ্ছি, তখন মানুষজন বুঝতে পারছে না। যেমন টার্গেটটা ঠিক হয়নি। সুপারভিশন মনিটরিং যেন ঠিক মতো হয়। কিন্তু এগুলো হয়নি বলে, হামটা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।
হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ক্যাম্পেইনে জোর বিশেষজ্ঞদের।
দায়িত্ববোধের ঘাটতি রয়েছে। ধরেন, আমার বাড়িতে পানি জমে আছে। আমার দায়িত্ববোধ যদি থাকে, তবে সেই পানিটা আমি অপসারণ করে ফেলতাম। কিন্তু সেটা আমরা করি না।

























