ভারতে স্বর্ণের ‘অবৈধ আমদানি’ এক বছরের ব্যবধানে ১ হাজার ৫০০ শতাংশ বেড়ে ৫০ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এই আমদানি হয়েছে, যা ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ। স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর কারণে চোরাচালান ও অবৈধ পথে আমদানি বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।
সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মিন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (ডব্লিউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই প্রান্তিকে ভারতে অবৈধ স্বর্ণ আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৩ টন। এবার তা বেড়ে ৫০ টনে দাঁড়িয়েছে।
ভারত গত মে মাসে স্বর্ণ ও রুপার আমদানিতে শুল্ক বাড়ায়। বর্তমানে এসব পণ্যে ১০ শতাংশ মৌলিক শুল্কের পাশাপাশি ৫ শতাংশ কৃষি অবকাঠামো ও উন্নয়ন সেস আরোপ করা হয়েছে। ফলে কার্যকর আমদানি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬ শতাংশ। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতে ৩ শতাংশ সমন্বিত পণ্য ও সেবা করও দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বর্ণ ও রুপা কেনা নিরুৎসাহিত করতে এই শুল্ক বাড়ানো হয়। ভারতের রুপির দরও চলতি বছর এশিয়ার দুর্বলতম মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয়দের স্বর্ণ কেনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে স্বর্ণের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতে অলংকারের চাহিদাও কমেছে। ডব্লিউজিসির তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে স্বর্ণের অলংকারের চাহিদা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর এটি ছিল কোনো তৃতীয় প্রান্তিকে সর্বনিম্ন চাহিদা।
ভারত গত মে মাসে স্বর্ণ ও রুপার আমদানিতে শুল্ক বাড়ায়। বর্তমানে এসব পণ্যে ১০ শতাংশ মৌলিক শুল্কের পাশাপাশি ৫ শতাংশ কৃষি অবকাঠামো ও উন্নয়ন সেস আরোপ করা হয়েছে। ফলে কার্যকর আমদানি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬ শতাংশ। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতে ৩ শতাংশ সমন্বিত পণ্য ও সেবা করও দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বর্ণ ও রুপা কেনা নিরুৎসাহিত করতে এই শুল্ক বাড়ানো হয়। ভারতের রুপির দরও চলতি বছর এশিয়ার দুর্বলতম মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয়দের স্বর্ণ কেনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে স্বর্ণের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতে অলংকারের চাহিদাও কমেছে। ডব্লিউজিসির তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে স্বর্ণের অলংকারের চাহিদা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর এটি ছিল কোনো তৃতীয় প্রান্তিকে সর্বনিম্ন চাহিদা।
একই সময়ে স্বর্ণের বার ও কয়েনের চাহিদা ৪০ শতাংশ কমে ৫৫ টনে নেমেছে। তবে স্বর্ণভিত্তিক বিনিয়োগ তহবিলে ইতিবাচক প্রবাহ দেখা গেছে। তৃতীয় প্রান্তিকে এসব তহবিলে ৬ টন স্বর্ণের সমপরিমাণ বিনিয়োগ এসেছে।



















