ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি বিএসইসির নতুন সিদ্ধান্তে আংশিক সচল হচ্ছে স্থগিত কিছু বিও অ্যাকাউন্ট শেয়ারবাজারে ঋণ করে বিনিয়োগ করলে লাভ কতটা, ঝুঁকি কেমন ১২ বছরের ক্রীতদাস বালকের হাতে বৈশ্বিক মসলায় পরিণত হয়েছিল ভ্যানিলা তৈরি পোশাকশিল্প মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা ভারতে স্বর্ণের ‘আমদানি’ বাড়ল ১৫০০ শতাংশ, ৩ টন থেকে একলাফে ৫০ টন ২০৫১ সালে ‘বয়স্ক অর্থনীতিতে’ প্রবেশ করবে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক ই-কমার্সে শক্ত অবস্থান গড়ছে রিমার্ক, আলিবাবার সঙ্গে চুক্তি সই অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানো সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ভারতে স্বর্ণের ‘আমদানি’ বাড়ল ১৫০০ শতাংশ, ৩ টন থেকে একলাফে ৫০ টন

  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ভারতে স্বর্ণের ‘অবৈধ আমদানি’ এক বছরের ব্যবধানে ১ হাজার ৫০০ শতাংশ বেড়ে ৫০ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এই আমদানি হয়েছে, যা ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ। স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর কারণে চোরাচালান ও অবৈধ পথে আমদানি বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।

সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মিন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (ডব্লিউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই প্রান্তিকে ভারতে অবৈধ স্বর্ণ আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৩ টন। এবার তা বেড়ে ৫০ টনে দাঁড়িয়েছে।

ভারত গত মে মাসে স্বর্ণ ও রুপার আমদানিতে শুল্ক বাড়ায়। বর্তমানে এসব পণ্যে ১০ শতাংশ মৌলিক শুল্কের পাশাপাশি ৫ শতাংশ কৃষি অবকাঠামো ও উন্নয়ন সেস আরোপ করা হয়েছে। ফলে কার্যকর আমদানি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬ শতাংশ। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতে ৩ শতাংশ সমন্বিত পণ্য ও সেবা করও দিতে হয়।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বর্ণ ও রুপা কেনা নিরুৎসাহিত করতে এই শুল্ক বাড়ানো হয়। ভারতের রুপির দরও চলতি বছর এশিয়ার দুর্বলতম মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয়দের স্বর্ণ কেনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে স্বর্ণের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতে অলংকারের চাহিদাও কমেছে। ডব্লিউজিসির তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে স্বর্ণের অলংকারের চাহিদা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর এটি ছিল কোনো তৃতীয় প্রান্তিকে সর্বনিম্ন চাহিদা।

ভারত গত মে মাসে স্বর্ণ ও রুপার আমদানিতে শুল্ক বাড়ায়। বর্তমানে এসব পণ্যে ১০ শতাংশ মৌলিক শুল্কের পাশাপাশি ৫ শতাংশ কৃষি অবকাঠামো ও উন্নয়ন সেস আরোপ করা হয়েছে। ফলে কার্যকর আমদানি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬ শতাংশ। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতে ৩ শতাংশ সমন্বিত পণ্য ও সেবা করও দিতে হয়।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বর্ণ ও রুপা কেনা নিরুৎসাহিত করতে এই শুল্ক বাড়ানো হয়। ভারতের রুপির দরও চলতি বছর এশিয়ার দুর্বলতম মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয়দের স্বর্ণ কেনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে স্বর্ণের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতে অলংকারের চাহিদাও কমেছে। ডব্লিউজিসির তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে স্বর্ণের অলংকারের চাহিদা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর এটি ছিল কোনো তৃতীয় প্রান্তিকে সর্বনিম্ন চাহিদা।

একই সময়ে স্বর্ণের বার ও কয়েনের চাহিদা ৪০ শতাংশ কমে ৫৫ টনে নেমেছে। তবে স্বর্ণভিত্তিক বিনিয়োগ তহবিলে ইতিবাচক প্রবাহ দেখা গেছে। তৃতীয় প্রান্তিকে এসব তহবিলে ৬ টন স্বর্ণের সমপরিমাণ বিনিয়োগ এসেছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি

ভারতে স্বর্ণের ‘আমদানি’ বাড়ল ১৫০০ শতাংশ, ৩ টন থেকে একলাফে ৫০ টন

আপডেট সময় : ০৯:১৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ভারতে স্বর্ণের ‘অবৈধ আমদানি’ এক বছরের ব্যবধানে ১ হাজার ৫০০ শতাংশ বেড়ে ৫০ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এই আমদানি হয়েছে, যা ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ। স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর কারণে চোরাচালান ও অবৈধ পথে আমদানি বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।

সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মিন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (ডব্লিউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই প্রান্তিকে ভারতে অবৈধ স্বর্ণ আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৩ টন। এবার তা বেড়ে ৫০ টনে দাঁড়িয়েছে।

ভারত গত মে মাসে স্বর্ণ ও রুপার আমদানিতে শুল্ক বাড়ায়। বর্তমানে এসব পণ্যে ১০ শতাংশ মৌলিক শুল্কের পাশাপাশি ৫ শতাংশ কৃষি অবকাঠামো ও উন্নয়ন সেস আরোপ করা হয়েছে। ফলে কার্যকর আমদানি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬ শতাংশ। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতে ৩ শতাংশ সমন্বিত পণ্য ও সেবা করও দিতে হয়।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বর্ণ ও রুপা কেনা নিরুৎসাহিত করতে এই শুল্ক বাড়ানো হয়। ভারতের রুপির দরও চলতি বছর এশিয়ার দুর্বলতম মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয়দের স্বর্ণ কেনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে স্বর্ণের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতে অলংকারের চাহিদাও কমেছে। ডব্লিউজিসির তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে স্বর্ণের অলংকারের চাহিদা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর এটি ছিল কোনো তৃতীয় প্রান্তিকে সর্বনিম্ন চাহিদা।

ভারত গত মে মাসে স্বর্ণ ও রুপার আমদানিতে শুল্ক বাড়ায়। বর্তমানে এসব পণ্যে ১০ শতাংশ মৌলিক শুল্কের পাশাপাশি ৫ শতাংশ কৃষি অবকাঠামো ও উন্নয়ন সেস আরোপ করা হয়েছে। ফলে কার্যকর আমদানি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬ শতাংশ। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতে ৩ শতাংশ সমন্বিত পণ্য ও সেবা করও দিতে হয়।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বর্ণ ও রুপা কেনা নিরুৎসাহিত করতে এই শুল্ক বাড়ানো হয়। ভারতের রুপির দরও চলতি বছর এশিয়ার দুর্বলতম মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয়দের স্বর্ণ কেনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে স্বর্ণের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতে অলংকারের চাহিদাও কমেছে। ডব্লিউজিসির তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে স্বর্ণের অলংকারের চাহিদা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর এটি ছিল কোনো তৃতীয় প্রান্তিকে সর্বনিম্ন চাহিদা।

একই সময়ে স্বর্ণের বার ও কয়েনের চাহিদা ৪০ শতাংশ কমে ৫৫ টনে নেমেছে। তবে স্বর্ণভিত্তিক বিনিয়োগ তহবিলে ইতিবাচক প্রবাহ দেখা গেছে। তৃতীয় প্রান্তিকে এসব তহবিলে ৬ টন স্বর্ণের সমপরিমাণ বিনিয়োগ এসেছে।