ব্যাংকের স্থায়ী আমানত বা এফডিআর সাধারণ মানুষের পরিচিত বিনিয়োগমাধ্যম। এককালীন টাকা নির্দিষ্ট মেয়াদে জমা রেখে সুদ পাওয়া যায়। এক মাস, তিন মাস, ছয় মাস, এক বছর কিংবা তার বেশি মেয়াদের আমানত আছে বিভিন্ন ব্যাংকে। আবার মাসে মাসে নির্দিষ্ট অঙ্ক জমা রাখার ব্যবস্থাও আছে।
ব্যাংকে টাকা রাখার সুবিধা হলো আমানতের মেয়াদ ও শর্ত আগে থেকে জানা যায়। অনেক ব্যাংকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে জমার বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ আছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে আমানত ভাঙার পরিবর্তে ঋণ নেওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ঋণের সুদ ও অন্যান্য শর্ত বুঝে নিতে হবে।
ব্যাংকভেদে আমানতের সুদের হার আলাদা। সুদের তালিকায় এক বছর বা তার বেশি মেয়াদের স্থায়ী আমানতে অঙ্কভেদে ৮ দশমিক ২৫ থেকে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদ রয়েছে। আবার অন্য ব্যাংকে হার কমবেশি হতে পারে। তাই একটি ব্যাংকের পণ্য না দেখে কয়েকটি ব্যাংকের পণ্যের তুলনা করা উচিত।
শুধু বেশি সুদ দেওয়ার ঘোষণা দেখেই ব্যাংক নির্বাচন করা ঠিক নয়। ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা, সুশাসন, তারল্য পরিস্থিতি, আমানত ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা ও আমানত সুরক্ষার প্রযোজ্য নিয়মও জানতে হবে। বিশেষ করে আর্থিকভাবে দুর্বল ব্যাংকে বেশি সুদের লোভে বড় অঙ্কের টাকা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ব্যাংকের সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা রাখলে প্রয়োজনের সময় তা তোলা সহজ। কিন্তু সাধারণত এর সুদের হার স্থায়ী আমানতের চেয়ে কম। তাই জরুরি খরচের টাকা সঞ্চয়ী হিসাবে রেখে অবশিষ্ট অর্থের একাংশ স্থায়ী আমানতে রাখা যেতে পারে।
সঞ্চয়পত্র: লাভ আছে, কেনার সীমাও আছে
যাঁরা বেশি ঝুঁকি নিতে চান না, তাঁদের কাছে সঞ্চয়পত্র এখনো জনপ্রিয় বিনিয়োগমাধ্যম। এর প্রধান আকর্ষণ হলো সরকারি নিশ্চয়তা–সংবলিত বিনিয়োগ এবং আগে থেকে নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ। ব্যাংকের স্থায়ী আমানতের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হারও বেশি।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে আছে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্র। তবে সব ধরনের সঞ্চয়পত্র সবাই কিনতে পারেন না। পরিবার সঞ্চয়পত্র নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তিদের জন্য, পেনশনার সঞ্চয়পত্রের জন্যও আছে যোগ্যতার শর্ত।
২০২৬ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে কোন সঞ্চয়পত্র কেনা হচ্ছে, কত টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে ও কত দিন টাকা রাখা হচ্ছে—তার ওপর প্রাপ্য মুনাফা নির্ভর করে।এফডিআর: টাকা রাখা সহজ, মুনাফার হার যাচাই জরুরি
ব্যাংকের স্থায়ী আমানত বা এফডিআর সাধারণ মানুষের পরিচিত বিনিয়োগমাধ্যম। এককালীন টাকা নির্দিষ্ট মেয়াদে জমা রেখে সুদ পাওয়া যায়। এক মাস, তিন মাস, ছয় মাস, এক বছর কিংবা তার বেশি মেয়াদের আমানত আছে বিভিন্ন ব্যাংকে। আবার মাসে মাসে নির্দিষ্ট অঙ্ক জমা রাখার ব্যবস্থাও আছে।
ব্যাংকে টাকা রাখার সুবিধা হলো আমানতের মেয়াদ ও শর্ত আগে থেকে জানা যায়। অনেক ব্যাংকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে জমার বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ আছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে আমানত ভাঙার পরিবর্তে ঋণ নেওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ঋণের সুদ ও অন্যান্য শর্ত বুঝে নিতে হবে।
ব্যাংকভেদে আমানতের সুদের হার আলাদা। সুদের তালিকায় এক বছর বা তার বেশি মেয়াদের স্থায়ী আমানতে অঙ্কভেদে ৮ দশমিক ২৫ থেকে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদ রয়েছে। আবার অন্য ব্যাংকে হার কমবেশি হতে পারে। তাই একটি ব্যাংকের পণ্য না দেখে কয়েকটি ব্যাংকের পণ্যের তুলনা করা উচিত।
শুধু বেশি সুদ দেওয়ার ঘোষণা দেখেই ব্যাংক নির্বাচন করা ঠিক নয়। ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা, সুশাসন, তারল্য পরিস্থিতি, আমানত ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা ও আমানত সুরক্ষার প্রযোজ্য নিয়মও জানতে হবে। বিশেষ করে আর্থিকভাবে দুর্বল ব্যাংকে বেশি সুদের লোভে বড় অঙ্কের টাকা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ব্যাংকের সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা রাখলে প্রয়োজনের সময় তা তোলা সহজ। কিন্তু সাধারণত এর সুদের হার স্থায়ী আমানতের চেয়ে কম। তাই জরুরি খরচের টাকা সঞ্চয়ী হিসাবে রেখে অবশিষ্ট অর্থের একাংশ স্থায়ী আমানতে রাখা যেতে পারে।


















