ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

বাসার সাধারণ ফ্যান বদলালেই কমতে পারে ২,৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা

  • আপডেট সময় : ১১:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

গ্রীষ্মকালে বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত সাধারণ ফ্যানের পরিবর্তে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী বিএলডিসি (ব্রাশলেস ডাইরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্যবহার করলেই কমানো সম্ভব ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা। এতে বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ। পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভবিষ্যতে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এড়ানো সম্ভব।

ইনস্টিটিউট ফর অ্যানার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত ‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি লিখেছেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানিবিশ্লেষক শফিকুল আলম।

প্রতিবেদন তৈরিতে দেশের ২৬ জেলার ৪৩৫টি পরিবারকে মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে জরিপ চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালে বাসাবাড়িতে ফ্যান ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা তৈরি হয় ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট। রাত ৯টার দিকে এসব ফ্যানের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে।

ইনস্টিটিউট ফর অ্যানার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত ‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি লিখেছেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানিবিশ্লেষক শফিকুল আলম।

প্রতিবেদন তৈরিতে দেশের ২৬ জেলার ৪৩৫টি পরিবারকে মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে জরিপ চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালে বাসাবাড়িতে ফ্যান ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা তৈরি হয় ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট। রাত ৯টার দিকে এসব ফ্যানের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে।

গবেষণা অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত মোট ফ্যানের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ বিএলডিসি প্রযুক্তির। একটি বিএলডিসি ফ্যান চালাতে বিদ্যুৎ লাগে মাত্র ৩৫ ওয়াট। অন্যদিকে সাধারণ ফ্যান চালাতে প্রয়োজন হয় ৭০ ওয়াট বা তারও বেশি বিদ্যুৎ। ফলে সাধারণ ফ্যানের পরিবর্তে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করলে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় গ্রিডের সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় আবাসিক খাতে। এ খাতে ফ্যান ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) ব্যবহার বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ানোর অন্যতম কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোও গ্রীষ্মকালে দুটি পর্যন্ত ফ্যান ব্যবহার করে। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারায় অনেক সময় ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়।

সার্বিক বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে। এতে পিডিবির ওপর চাপও কমবে। তবে বিদ্যুৎ বিল কমানোর আগ্রহ থাকলেও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান সম্পর্কে মানুষের ধারণা কম।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

বাসার সাধারণ ফ্যান বদলালেই কমতে পারে ২,৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা

আপডেট সময় : ১১:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

গ্রীষ্মকালে বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত সাধারণ ফ্যানের পরিবর্তে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী বিএলডিসি (ব্রাশলেস ডাইরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্যবহার করলেই কমানো সম্ভব ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা। এতে বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ। পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভবিষ্যতে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এড়ানো সম্ভব।

ইনস্টিটিউট ফর অ্যানার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত ‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি লিখেছেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানিবিশ্লেষক শফিকুল আলম।

প্রতিবেদন তৈরিতে দেশের ২৬ জেলার ৪৩৫টি পরিবারকে মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে জরিপ চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালে বাসাবাড়িতে ফ্যান ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা তৈরি হয় ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট। রাত ৯টার দিকে এসব ফ্যানের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে।

ইনস্টিটিউট ফর অ্যানার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত ‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি লিখেছেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানিবিশ্লেষক শফিকুল আলম।

প্রতিবেদন তৈরিতে দেশের ২৬ জেলার ৪৩৫টি পরিবারকে মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে জরিপ চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালে বাসাবাড়িতে ফ্যান ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা তৈরি হয় ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট। রাত ৯টার দিকে এসব ফ্যানের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে।

গবেষণা অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত মোট ফ্যানের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ বিএলডিসি প্রযুক্তির। একটি বিএলডিসি ফ্যান চালাতে বিদ্যুৎ লাগে মাত্র ৩৫ ওয়াট। অন্যদিকে সাধারণ ফ্যান চালাতে প্রয়োজন হয় ৭০ ওয়াট বা তারও বেশি বিদ্যুৎ। ফলে সাধারণ ফ্যানের পরিবর্তে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করলে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় গ্রিডের সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় আবাসিক খাতে। এ খাতে ফ্যান ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) ব্যবহার বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ানোর অন্যতম কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোও গ্রীষ্মকালে দুটি পর্যন্ত ফ্যান ব্যবহার করে। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারায় অনেক সময় ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়।

সার্বিক বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে। এতে পিডিবির ওপর চাপও কমবে। তবে বিদ্যুৎ বিল কমানোর আগ্রহ থাকলেও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান সম্পর্কে মানুষের ধারণা কম।