ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

দেশের ‘প্রথম ব্যাংক’ হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়ছে ব্র্যাক ব্যাংক

  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ‘প্রথম ব্যাংক’ হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়তে যাচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামীকাল বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেবেন।

ব্যাংকটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন বন্ড নীতিমালা মেনেই এটি ছাড়া হবে। এই বন্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করা হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প, পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণ এবং শিল্প খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগে।

গ্রিন বন্ড মূলত এমন একটি আর্থিক মাধ্যম, যার মাধ্যমে পরিবেশগতভাবে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা হয় এবং একই সঙ্গে এটি বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা দেয়।

গত ২৩ মে প্রকাশিত এক ডিসক্লোজারে জানানো হয়, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি তাদের পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন কার্যক্রমে সহায়তার জন্য অভিহিত মূল্যে (ফেস ভ্যালু) সর্বোচ্চ ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।

এর দুই দিন আগে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই বন্ড ছাড়ার বিষয়টি অনুমোদন পায়।

তথ্যানুযায়ী, তিন বছর মেয়াদি এই বন্ডটি হবে রূপান্তর-অযোগ্য (নন-কনভার্টেবল) এবং মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য (ফুললি রিডিমেবল)।

নিজেদের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ অর্থায়ন সুবিধা দিয়ে থাকে ব্র্যাক ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে সৌর ও বায়ু শক্তির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্যোগ, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ এবং ইটিপি (বর্জ্য শোধনাগার) সুবিধার মাধ্যমে দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার একটি ‘সোশ্যাল বন্ড’ ছাড়ার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেয়েছিল ব্যাংকটি। সেই বন্ড থেকে পাওয়া অর্থ ব্যাসেল-৩ কাঠামোর অধীনে ব্যাংকের টায়ার-২ মূলধন শক্তিশালী করতে এবং সামাজিক উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

দেশের ‘প্রথম ব্যাংক’ হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়ছে ব্র্যাক ব্যাংক

আপডেট সময় : ১০:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের ‘প্রথম ব্যাংক’ হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়তে যাচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামীকাল বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেবেন।

ব্যাংকটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন বন্ড নীতিমালা মেনেই এটি ছাড়া হবে। এই বন্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করা হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প, পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণ এবং শিল্প খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগে।

গ্রিন বন্ড মূলত এমন একটি আর্থিক মাধ্যম, যার মাধ্যমে পরিবেশগতভাবে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা হয় এবং একই সঙ্গে এটি বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা দেয়।

গত ২৩ মে প্রকাশিত এক ডিসক্লোজারে জানানো হয়, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি তাদের পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন কার্যক্রমে সহায়তার জন্য অভিহিত মূল্যে (ফেস ভ্যালু) সর্বোচ্চ ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।

এর দুই দিন আগে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই বন্ড ছাড়ার বিষয়টি অনুমোদন পায়।

তথ্যানুযায়ী, তিন বছর মেয়াদি এই বন্ডটি হবে রূপান্তর-অযোগ্য (নন-কনভার্টেবল) এবং মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য (ফুললি রিডিমেবল)।

নিজেদের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ অর্থায়ন সুবিধা দিয়ে থাকে ব্র্যাক ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে সৌর ও বায়ু শক্তির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্যোগ, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ এবং ইটিপি (বর্জ্য শোধনাগার) সুবিধার মাধ্যমে দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার একটি ‘সোশ্যাল বন্ড’ ছাড়ার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেয়েছিল ব্যাংকটি। সেই বন্ড থেকে পাওয়া অর্থ ব্যাসেল-৩ কাঠামোর অধীনে ব্যাংকের টায়ার-২ মূলধন শক্তিশালী করতে এবং সামাজিক উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।