ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

ডিভি লটারি: বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন?

  • আপডেট সময় : ১২:২১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারির নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে পররাষ্ট্র দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৪ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা এ আদেশ দেন। নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধন শুরু না হওয়ায় দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন।

মামলাটি করে ‘রেড ঈগল ল’ নামের একটি আইন প্রতিষ্ঠান। তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে আবেদন নেওয়া শুরু না করে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কার্যত কর্মসূচিটি আটকে রেখেছে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আবেদন গ্রহণ শুরু করলে কর্মসূচির নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্যক্রম ৩০ দিন চালু থাকতে পারে। তবে আবেদন শুরুর চূড়ান্ত তারিখ, যোগ্যতার শর্ত এবং আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

ডিভি লটারি সাধারণভাবে গ্রিন কার্ড লটারি নামে পরিচিত। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর যোগ্য দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। লটারিতে নির্বাচিত ব্যক্তিরা নির্ধারিত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।

সাধারণত আবেদনকারীদের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী পেশায় কাজের অভিজ্ঞতাও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার চাকরির প্রস্তাব প্রয়োজন হয় না। তবে লটারিতে নির্বাচিত হওয়া মানেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হওয়া নয়। নির্বাচিত আবেদনকারীদের শিক্ষাগত বা পেশাগত যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের শর্ত পূরণ করতে হয়।

বাংলাদেশিদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ২০২৭ সালের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশ যোগ্য দেশের তালিকায় থাকবে কি না। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আবেদন করা যাবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। তাই আগ্রহীদের মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের তথ্যানুসারে, ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ আর ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার যোগ্য নয়। ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি এই ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন বলে বাংলাদেশ এই যোগ্যতা হারিয়েছে। কারণ ডিভি কর্মসূচি সেই দেশগুলোর জন্য যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার তুলনামূলকভাবে কম।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

ডিভি লটারি: বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন?

আপডেট সময় : ১২:২১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারির নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে পররাষ্ট্র দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৪ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা এ আদেশ দেন। নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধন শুরু না হওয়ায় দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন।

মামলাটি করে ‘রেড ঈগল ল’ নামের একটি আইন প্রতিষ্ঠান। তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে আবেদন নেওয়া শুরু না করে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কার্যত কর্মসূচিটি আটকে রেখেছে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আবেদন গ্রহণ শুরু করলে কর্মসূচির নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্যক্রম ৩০ দিন চালু থাকতে পারে। তবে আবেদন শুরুর চূড়ান্ত তারিখ, যোগ্যতার শর্ত এবং আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

ডিভি লটারি সাধারণভাবে গ্রিন কার্ড লটারি নামে পরিচিত। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর যোগ্য দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। লটারিতে নির্বাচিত ব্যক্তিরা নির্ধারিত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।

সাধারণত আবেদনকারীদের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী পেশায় কাজের অভিজ্ঞতাও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার চাকরির প্রস্তাব প্রয়োজন হয় না। তবে লটারিতে নির্বাচিত হওয়া মানেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হওয়া নয়। নির্বাচিত আবেদনকারীদের শিক্ষাগত বা পেশাগত যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের শর্ত পূরণ করতে হয়।

বাংলাদেশিদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ২০২৭ সালের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশ যোগ্য দেশের তালিকায় থাকবে কি না। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আবেদন করা যাবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। তাই আগ্রহীদের মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের তথ্যানুসারে, ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ আর ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার যোগ্য নয়। ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি এই ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন বলে বাংলাদেশ এই যোগ্যতা হারিয়েছে। কারণ ডিভি কর্মসূচি সেই দেশগুলোর জন্য যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার তুলনামূলকভাবে কম।