ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

অক্টোবরে রপ্তানি বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ

  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি গত অক্টোবরে বেড়েছে। তবে হোমটেক্সটাইলের রপ্তানি কমে গেছে। অন্যদিকে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি তিন মাস ধরে কমছে।

শীর্ষ তিন খাতের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় থাকায় গত মাসে দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রপ্তানি হয়েছে ৩৯৯ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য। গত বছরের অক্টোবরে রপ্তানি হয়েছিল ৩৯৪ কোটি ডলারের পণ্য। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আজ রোববার রপ্তানির হালনাগাদ এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।

রপ্তানির তথ্যে দেখা যায়, চলতি (২০২৬–২৭) অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। বরাবরের মতো সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় এসেছে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক থেকে। গত অক্টোবরে এ খাত থেকে প্রায় ৩১৭ কোটি ডলার রপ্তানি আয় এসেছে। গত বছরের অক্টোবরের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩০২ কোটি ডলারের। সে হিসাবে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ।

শীর্ষ পাঁচটি খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে। অক্টোবরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই মাসের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেশি। গত মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ডলারের। গত বছরের অক্টোবরে যার পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। সে হিসাবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

অন্যদিকে গত মাসে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিতে। গত বছরের অক্টোবরে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি করে ১০ কোটি ২৩ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। গত মাসে যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯ কোটি ডলারে। অর্থাৎ এ খাতে রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ। আবার হোম টেক্সটাইল খাতের রপ্তানিও কিছুটা সংকুচিত হয়েছে। গত অক্টোবরে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় এসেছে প্রায় ৭ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল সোয়া ৭ কোটি ডলার। অর্থাৎ এ খাতে রপ্তানি প্রায় পৌনে ৪ শতাংশ কমেছে।

গত মাসে শীর্ষ পাঁচ খাতের বাইরে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পণ্যের মধ্যে হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি কমেছে ১৩ শতাংশের বেশি। তবে কাঁকড়া রপ্তানি ৮১ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া গত মাসে রাসায়নিক পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ১৯ শতাংশ বেশি। ওষুধ রপ্তানি প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি রয়েছে। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ জুলাই–অক্টোবরে মোট পণ্য রপ্তানি হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ৬১৪ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশের মোট রপ্তানি আয় ৯৪ কোটি ৮৯ লাখ ডলার বা ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

অক্টোবরে রপ্তানি বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ

আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি গত অক্টোবরে বেড়েছে। তবে হোমটেক্সটাইলের রপ্তানি কমে গেছে। অন্যদিকে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি তিন মাস ধরে কমছে।

শীর্ষ তিন খাতের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় থাকায় গত মাসে দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রপ্তানি হয়েছে ৩৯৯ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য। গত বছরের অক্টোবরে রপ্তানি হয়েছিল ৩৯৪ কোটি ডলারের পণ্য। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আজ রোববার রপ্তানির হালনাগাদ এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।

রপ্তানির তথ্যে দেখা যায়, চলতি (২০২৬–২৭) অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। বরাবরের মতো সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় এসেছে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক থেকে। গত অক্টোবরে এ খাত থেকে প্রায় ৩১৭ কোটি ডলার রপ্তানি আয় এসেছে। গত বছরের অক্টোবরের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩০২ কোটি ডলারের। সে হিসাবে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ।

শীর্ষ পাঁচটি খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে। অক্টোবরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই মাসের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেশি। গত মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ডলারের। গত বছরের অক্টোবরে যার পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। সে হিসাবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

অন্যদিকে গত মাসে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিতে। গত বছরের অক্টোবরে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি করে ১০ কোটি ২৩ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। গত মাসে যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯ কোটি ডলারে। অর্থাৎ এ খাতে রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ। আবার হোম টেক্সটাইল খাতের রপ্তানিও কিছুটা সংকুচিত হয়েছে। গত অক্টোবরে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় এসেছে প্রায় ৭ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল সোয়া ৭ কোটি ডলার। অর্থাৎ এ খাতে রপ্তানি প্রায় পৌনে ৪ শতাংশ কমেছে।

গত মাসে শীর্ষ পাঁচ খাতের বাইরে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পণ্যের মধ্যে হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি কমেছে ১৩ শতাংশের বেশি। তবে কাঁকড়া রপ্তানি ৮১ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া গত মাসে রাসায়নিক পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ১৯ শতাংশ বেশি। ওষুধ রপ্তানি প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি রয়েছে। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ জুলাই–অক্টোবরে মোট পণ্য রপ্তানি হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ৬১৪ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশের মোট রপ্তানি আয় ৯৪ কোটি ৮৯ লাখ ডলার বা ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়েছে।