ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

সক্ষমতা-ভারসাম্য রক্ষায় নির্ভর করছে সাফল্য

  • আপডেট সময় : ০৬:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত প্রভাব বিস্তারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে জাপানের ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেস ইনিশিয়েটিভ’ বা ‘বিগ বি’ উদ্যোগ। বাংলাদেশের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের এ পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারে ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোও। তবে এ কূটনৈতিক সাফল্য বাস্তবে কতটা অর্থনৈতিক সাফল্যে রূপ নেবে-তা নির্ভর করছে প্রতিশ্রুত অর্থছাড়, নতুন কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর।

বিশ্লেষকদের মতে, এ উদ্যোগ থেকে সুফল পেতে হলে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ ও সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি চীন, জাপান ও ভারতের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংযোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে নিজের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়াতে হবে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিগ বি’ হচ্ছে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর উন্নয়ন নিয়ে জাপানের একটি বৃহৎ পরিকল্পনা। চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর মতো জাপানেরও এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি কৌশলগত উদ্যোগ রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বন্দর, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নের সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জাপানের ‘বিগ বি’ উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশকে ঘিরে নয়, বরং বৃহত্তর বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে। এর পেছনে অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যের পাশাপাশি কৌশলগত বিবেচনাও রয়েছে। এ অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিপরীতে বিকল্প অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টি জাপানের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এ কারণে জাপান ভারতের পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নেও বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

হুমায়ুন কবির বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কার্যকর ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় করে তুলতে হলে এর সঙ্গে ভারতের পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে যুক্ত করা প্রয়োজন। ভারতের পূর্বাঞ্চলে প্রায় ৪ কোটি মানুষের বসবাস। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর বাজার এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে মাতারবাড়ীর সঙ্গে সংযুক্ত করা গেলে পুরো অঞ্চলটি উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সংযোগ সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জানতে চাইলে সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘বিগ বি’ ধারণাটি নতুন নয়। জাপান এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে চায়। এর আওতায় বিভিন্ন ছোট ছোট প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে। তবে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের স্বার্থ ও সক্ষমতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। জাপানের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে, তাই তাদের পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য ভালোভাবে বুঝে আমাদের অংশগ্রহণ করা উচিত।

মুন্সী ফয়েজ আহমেদ বলেন, চীন, জাপান ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। ‘বিগ বি’ উদ্যোগে ভারত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হওয়ায় দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। জাপান সফর বিষয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, জাপান সফরের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হয়েছে, তা আশাব্যঞ্জক। তবে এ সমঝোতাগুলো কতটুকু বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন মূল বিষয়। কারণ এর আগেও আমরা দেখেছি অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে তার অনেক কিছুই আর দেখা যায়নি।

জাপানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, ‘জাপান শুরু থেকেই বাংলাদেশের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী। তারা বরাবরের মতোই আমাদের অগ্রযাত্রায় সহযোগিতা করে এসেছে। তাই এ চুক্তিগুলো থেকেও বড় ধরনের ইতিবাচক ফল প্রত্যাশা করা যায়, তবে বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য সঠিক ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির মূল দায়িত্ব কিন্তু বাংলাদেশেরই।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

সক্ষমতা-ভারসাম্য রক্ষায় নির্ভর করছে সাফল্য

আপডেট সময় : ০৬:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত প্রভাব বিস্তারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে জাপানের ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেস ইনিশিয়েটিভ’ বা ‘বিগ বি’ উদ্যোগ। বাংলাদেশের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের এ পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারে ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোও। তবে এ কূটনৈতিক সাফল্য বাস্তবে কতটা অর্থনৈতিক সাফল্যে রূপ নেবে-তা নির্ভর করছে প্রতিশ্রুত অর্থছাড়, নতুন কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর।

বিশ্লেষকদের মতে, এ উদ্যোগ থেকে সুফল পেতে হলে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ ও সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি চীন, জাপান ও ভারতের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংযোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে নিজের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়াতে হবে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিগ বি’ হচ্ছে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর উন্নয়ন নিয়ে জাপানের একটি বৃহৎ পরিকল্পনা। চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর মতো জাপানেরও এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি কৌশলগত উদ্যোগ রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বন্দর, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নের সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জাপানের ‘বিগ বি’ উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশকে ঘিরে নয়, বরং বৃহত্তর বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে। এর পেছনে অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যের পাশাপাশি কৌশলগত বিবেচনাও রয়েছে। এ অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিপরীতে বিকল্প অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টি জাপানের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এ কারণে জাপান ভারতের পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নেও বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

হুমায়ুন কবির বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কার্যকর ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় করে তুলতে হলে এর সঙ্গে ভারতের পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে যুক্ত করা প্রয়োজন। ভারতের পূর্বাঞ্চলে প্রায় ৪ কোটি মানুষের বসবাস। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর বাজার এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে মাতারবাড়ীর সঙ্গে সংযুক্ত করা গেলে পুরো অঞ্চলটি উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সংযোগ সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জানতে চাইলে সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘বিগ বি’ ধারণাটি নতুন নয়। জাপান এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে চায়। এর আওতায় বিভিন্ন ছোট ছোট প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে। তবে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের স্বার্থ ও সক্ষমতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। জাপানের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে, তাই তাদের পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য ভালোভাবে বুঝে আমাদের অংশগ্রহণ করা উচিত।

মুন্সী ফয়েজ আহমেদ বলেন, চীন, জাপান ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। ‘বিগ বি’ উদ্যোগে ভারত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হওয়ায় দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। জাপান সফর বিষয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, জাপান সফরের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হয়েছে, তা আশাব্যঞ্জক। তবে এ সমঝোতাগুলো কতটুকু বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন মূল বিষয়। কারণ এর আগেও আমরা দেখেছি অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে তার অনেক কিছুই আর দেখা যায়নি।

জাপানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, ‘জাপান শুরু থেকেই বাংলাদেশের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী। তারা বরাবরের মতোই আমাদের অগ্রযাত্রায় সহযোগিতা করে এসেছে। তাই এ চুক্তিগুলো থেকেও বড় ধরনের ইতিবাচক ফল প্রত্যাশা করা যায়, তবে বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য সঠিক ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির মূল দায়িত্ব কিন্তু বাংলাদেশেরই।