গিগালজির উপস্থাপনায় আয়োজিত টেকনোপ্রেনারশিপ ব্যাচ ২-এর সমাপনী অনুষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফিনালে’ অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার ঢাকা রিজেন্সিতে। এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী দলগুলো বাস্তব সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্টার্টআপের ধারণা উপস্থাপন করে।
সহায়ক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা টিম আশা চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নির্বাচিত হয়। নিয়োগ ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাবিষয়ক সমাধান ট্রুডে প্রথম রানার-আপ এবং বাংলাদেশে তৈরি রোবোটিকস স্টার্টআপ টিম সার্ভিও দ্বিতীয় রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
‘Be the Entrepreneur You Admire’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে পরিচালিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিতে সক্ষম এআই-চালিত স্টার্টআপ গড়ে তুলতে উদ্ভাবকদের ক্ষমতায়ন করা।
‘Be the Entrepreneur You Admire’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে পরিচালিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিতে সক্ষম এআই-চালিত স্টার্টআপ গড়ে তুলতে উদ্ভাবকদের ক্ষমতায়ন করা।
কর্মসূচি চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা এআই, পণ্য উন্নয়ন এবং স্টার্টআপ পরিচালনার মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পুরো যাত্রায় প্রতিষ্ঠাতা, শিল্প খাতের নেতৃবৃন্দ এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা তাদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন। দলগতভাবে কাজ করার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ধারণাকে কার্যকর প্রোটোটাইপে রূপ দেন এবং চূড়ান্ত পিচিং অনুষ্ঠানে সেগুলো উপস্থাপন করেন।
চূড়ান্ত পর্বে যেসব দল অংশ নেয়—
নিয়োগ ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা: ট্রুডে (TrueDay)
বিপণন ও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি: ক্যাম্পেইনফ্লো (CampaignFlow) এবং অ্যাকুইসিঙ্ক (AcquiSync)
শিক্ষা: জিজ্ঞাসা এআই (Jigyasha AI)
বাংলাদেশে তৈরি রোবোটিকস: এরিয়ট ক্লিনবট (ARIOT CleanBot) এবং সার্ভিও (Servio)
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি: এনার্জএআই (EnergAI)
ওষুধশিল্প ও স্বাস্থ্য: বায়োসিম লেয়ার (BioSim Layer)
সহায়ক প্রযুক্তি: আশা (ASHA)
মানসিক স্বাস্থ্য: আলাপকড়ি (Alapkori)
গিগালজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোসলেহ উদ্দিন বলেন, প্রতিষ্ঠাতাদের সব সময় সামনের দিকে তাকাতে হবে, মনোযোগ নষ্ট করে এমন বিষয়গুলো থেকে দূরে থাকতে হবে এবং কোনোভাবেই নিরুৎসাহকে নিজেদের থামিয়ে দিতে দেয়া যাবে না। আজ আমরা যে ধারণাগুলো দেখেছি, তা প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের তরুণদের সঠিক দক্ষতা ও সহায়তা দেয়া হলে তারা কী অসাধারণ উদ্যোগ গড়ে তুলতে পারেন। আমি এখানে উপস্থিত প্রতিটি দলকে সম্ভাবনার প্রচলিত সীমার বাইরে গিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাই। কারণ, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে এআই শিল্পে একটি শীর্ষস্থানীয় দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করতে পারি।”


















