ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৪ শতাংশ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা 

  • আপডেট সময় : ১১:২৯:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির আশা ও মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে বিঘ্ন কমতে পারে, এমন প্রত্যাশা থেকে বাজারে এই দরপতন হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলার ২০ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১০৯ ডলার ২৩ সেন্টে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ৩ ডলার ৯৮ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ১৪ সেন্টে দাঁড়ায়।

ইরান ও কাতারের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোচনা চলার খবর তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে। রোববার দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষে ইরানের প্রতিনিধিরা ফিরে গেলেও আলোচনায় কোনো জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা ফিরে গেছেন, এমন নয় বলে বৈঠক সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রোববার বলেন, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পরামর্শ অব্যাহত রাখতেই এই আলোচনা চলছে। তার ভাষায়, তেহরান কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা এমন উভয় পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।

তেলের বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা এবং সপ্তাহান্তে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা না বাড়ায় আপাতত তেলের দামে চাপ কমেছে। তবে যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলার ২০ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১০৯ ডলার ২৩ সেন্টে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ৩ ডলার ৯৮ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ১৪ সেন্টে দাঁড়ায়।

ইরান ও কাতারের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোচনা চলার খবর তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে। রোববার দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষে ইরানের প্রতিনিধিরা ফিরে গেলেও আলোচনায় কোনো জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা ফিরে গেছেন, এমন নয় বলে বৈঠক সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

তেলের দাম আবার বাড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকেরা। সরবরাহের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় গোল্ডম্যান স্যাকস রোববার তাদের তেলের দামসংক্রান্ত পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদন ২০২৫ সালের গড়ের তুলনায় দৈনিক ৩৫ লাখ ব্যারেল কম থাকলে ২০২৭ সালে ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৪০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

ব্যাংকটির মতে, জাহাজ চলাচলে হামলা বাড়া, জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি এবং সরবরাহ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা তেলের দাম বাড়ার প্রধান কারণ হয়ে উঠতে পারে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৪ শতাংশ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা 

আপডেট সময় : ১১:২৯:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির আশা ও মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে বিঘ্ন কমতে পারে, এমন প্রত্যাশা থেকে বাজারে এই দরপতন হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলার ২০ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১০৯ ডলার ২৩ সেন্টে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ৩ ডলার ৯৮ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ১৪ সেন্টে দাঁড়ায়।

ইরান ও কাতারের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোচনা চলার খবর তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে। রোববার দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষে ইরানের প্রতিনিধিরা ফিরে গেলেও আলোচনায় কোনো জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা ফিরে গেছেন, এমন নয় বলে বৈঠক সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রোববার বলেন, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পরামর্শ অব্যাহত রাখতেই এই আলোচনা চলছে। তার ভাষায়, তেহরান কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা এমন উভয় পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।

তেলের বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা এবং সপ্তাহান্তে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা না বাড়ায় আপাতত তেলের দামে চাপ কমেছে। তবে যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলার ২০ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১০৯ ডলার ২৩ সেন্টে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ৩ ডলার ৯৮ সেন্ট বা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ১৪ সেন্টে দাঁড়ায়।

ইরান ও কাতারের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোচনা চলার খবর তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে। রোববার দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষে ইরানের প্রতিনিধিরা ফিরে গেলেও আলোচনায় কোনো জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা ফিরে গেছেন, এমন নয় বলে বৈঠক সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

তেলের দাম আবার বাড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকেরা। সরবরাহের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় গোল্ডম্যান স্যাকস রোববার তাদের তেলের দামসংক্রান্ত পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদন ২০২৫ সালের গড়ের তুলনায় দৈনিক ৩৫ লাখ ব্যারেল কম থাকলে ২০২৭ সালে ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৪০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

ব্যাংকটির মতে, জাহাজ চলাচলে হামলা বাড়া, জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি এবং সরবরাহ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা তেলের দাম বাড়ার প্রধান কারণ হয়ে উঠতে পারে।