ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

প্রধানমন্ত্রীর চিঠির পর এলডিসি উত্তরণ সরকারের রাজনৈতিক দায়িত্বে পরিণত হয়েছে: দেবপ্রিয়

  • আপডেট সময় : ১১:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের সময়সীমা ২০২৯ সাল পর্যন্ত তিন বছর পিছিয়েছে জাতিসংঘ। এই বাড়তি সময় পাওয়ার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে প্রধানমন্ত্রী নিজে চিঠি লিখেছেন। ফলে উত্তরণের প্রস্তুতি ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন আর শুধু আমলাতন্ত্র বা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি সরকারের সামগ্রিক রাজনৈতিক দায়দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে নির্ধারিত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও মালিকানা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও সিটিজেনস প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন। তার মতে, এলডিসি উত্তরণকে এখন আর কেবল কারিগরি বা প্রশাসনিক বিষয় হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এটি এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজ রাজধানীর সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ: জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত ও আমাদের পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক এক মিডিয়া সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে চিঠি লিখেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি আগামী তিন বছরের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছেন। ফলে পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উত্তরণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মালিকানা ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি মূলত আমলা ও মন্ত্রী পর্যায়ের দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু এবার বিষয়টি সরকারের সামগ্রিক রাজনৈতিক দায়দায়িত্বের মধ্যে চলে এসেছে। কারিগরি ও প্রশাসনিক কাজ থাকলেও এখন এর চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক মালিকানা। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা মোকাবিলার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশীয় রাজনৈতিক বাস্তবতাকে এখানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

প্রধানমন্ত্রীর চিঠির পর এলডিসি উত্তরণ সরকারের রাজনৈতিক দায়িত্বে পরিণত হয়েছে: দেবপ্রিয়

আপডেট সময় : ১১:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের সময়সীমা ২০২৯ সাল পর্যন্ত তিন বছর পিছিয়েছে জাতিসংঘ। এই বাড়তি সময় পাওয়ার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে প্রধানমন্ত্রী নিজে চিঠি লিখেছেন। ফলে উত্তরণের প্রস্তুতি ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন আর শুধু আমলাতন্ত্র বা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি সরকারের সামগ্রিক রাজনৈতিক দায়দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে নির্ধারিত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও মালিকানা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও সিটিজেনস প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন। তার মতে, এলডিসি উত্তরণকে এখন আর কেবল কারিগরি বা প্রশাসনিক বিষয় হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এটি এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজ রাজধানীর সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ: জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত ও আমাদের পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক এক মিডিয়া সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে চিঠি লিখেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি আগামী তিন বছরের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছেন। ফলে পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উত্তরণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মালিকানা ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি মূলত আমলা ও মন্ত্রী পর্যায়ের দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু এবার বিষয়টি সরকারের সামগ্রিক রাজনৈতিক দায়দায়িত্বের মধ্যে চলে এসেছে। কারিগরি ও প্রশাসনিক কাজ থাকলেও এখন এর চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক মালিকানা। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা মোকাবিলার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশীয় রাজনৈতিক বাস্তবতাকে এখানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।