অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য অগ্রাধিকার শেয়ার (প্রেফারেন্স শেয়ার) ইস্যু, সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর, শেয়ার পরিশোধ এবং লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্তে অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু ও এর বিপরীতে লভ্যাংশ বিদেশে পাঠাতে আগাম অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগ এ-সংক্রান্ত পৃথক সার্কুলার জারি করে। এতে অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুকারী কোম্পানি, অনিবাসী বিনিয়োগকারী এবং এ-সংক্রান্ত লেনদেন পরিচালনাকারী ব্যাংকগুলোর করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগ এ-সংক্রান্ত পৃথক সার্কুলার জারি করে। এতে অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুকারী কোম্পানি, অনিবাসী বিনিয়োগকারী এবং এ-সংক্রান্ত লেনদেন পরিচালনাকারী ব্যাংকগুলোর করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ লভ্যাংশ হারে অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগাম অনুমোদন নেয়ার প্রয়োজন হবে না। তবে শেয়ার ইস্যুর পর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
অন্যদিকে, কোনো কোম্পানি ৫ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ হারে অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু করতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। এ জন্য প্রস্তাবিত লভ্যাংশের হার নির্ধারণের যৌক্তিকতা তুলে ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে হবে।
সার্কুলারে অগ্রাধিকার শেয়ারের বিপরীতে অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব শেয়ার পরিশোধের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক অনুমোদন নেয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেয়া হয়েছে। ফলে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে।
এ ছাড়া অগ্রাধিকার শেয়ারকে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরের নিয়ম, শেয়ার ইস্যুর প্রক্রিয়া এবং ইস্যু-পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়গুলোও নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে।



















