ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি বিএসইসির নতুন সিদ্ধান্তে আংশিক সচল হচ্ছে স্থগিত কিছু বিও অ্যাকাউন্ট শেয়ারবাজারে ঋণ করে বিনিয়োগ করলে লাভ কতটা, ঝুঁকি কেমন ১২ বছরের ক্রীতদাস বালকের হাতে বৈশ্বিক মসলায় পরিণত হয়েছিল ভ্যানিলা তৈরি পোশাকশিল্প মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা ভারতে স্বর্ণের ‘আমদানি’ বাড়ল ১৫০০ শতাংশ, ৩ টন থেকে একলাফে ৫০ টন ২০৫১ সালে ‘বয়স্ক অর্থনীতিতে’ প্রবেশ করবে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক ই-কমার্সে শক্ত অবস্থান গড়ছে রিমার্ক, আলিবাবার সঙ্গে চুক্তি সই অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানো সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

নভেম্বর মাসে যে দামে বিক্রি হবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল

  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করছে সরকার। তবে, চলতি নভেম্বর মাসেও ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দামে কোনো পরিবর্তনের পথ বেছে নেয়নি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অক্টোবর মাসের নির্ধারিত দর বহাল রেখে নভেম্বরেও আগের দামেই বিক্রেতাদের বিক্রি করতে হবে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল।

মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পত্র সূত্রে জানা যায়, নভেম্বর মাসে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫, পেট্রোল ১৬০ ও কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হবে। নির্ধারিত এই দাম আজ রোববার (১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে। গত ২৯ অক্টোবর এ পরিপত্র জারি করা হয়।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ও ফ্রেইট চার্জ বৃদ্ধির কারণে গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একলাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়। ওইদিন সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হকের সই করা প্রজ্ঞাপনে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়েছিল।

সে সময় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে বাড়িয়ে ১৬৫, পেট্রোল ১৪০ থেকে বাড়িয়ে ১৬০ এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ওই সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ, ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেলেও সরকার জনস্বার্থে দেশে মূল্য বৃদ্ধি করেনি। ফলে মার্চ, ২০২৬ থেকে আগস্ট, ২০২৬ পর্যন্ত বিপিসি’র প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা লোকসান হয়। এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধিসহ সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চলমান রাখতে এবং জ্বালানি তেল পাচার রোধে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কোনো বিকল্প ছিল না বলেও জানিয়েছিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি

নভেম্বর মাসে যে দামে বিক্রি হবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করছে সরকার। তবে, চলতি নভেম্বর মাসেও ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দামে কোনো পরিবর্তনের পথ বেছে নেয়নি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অক্টোবর মাসের নির্ধারিত দর বহাল রেখে নভেম্বরেও আগের দামেই বিক্রেতাদের বিক্রি করতে হবে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল।

মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পত্র সূত্রে জানা যায়, নভেম্বর মাসে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫, পেট্রোল ১৬০ ও কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হবে। নির্ধারিত এই দাম আজ রোববার (১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে। গত ২৯ অক্টোবর এ পরিপত্র জারি করা হয়।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ও ফ্রেইট চার্জ বৃদ্ধির কারণে গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একলাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়। ওইদিন সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হকের সই করা প্রজ্ঞাপনে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়েছিল।

সে সময় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে বাড়িয়ে ১৬৫, পেট্রোল ১৪০ থেকে বাড়িয়ে ১৬০ এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ওই সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ, ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেলেও সরকার জনস্বার্থে দেশে মূল্য বৃদ্ধি করেনি। ফলে মার্চ, ২০২৬ থেকে আগস্ট, ২০২৬ পর্যন্ত বিপিসি’র প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা লোকসান হয়। এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধিসহ সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চলমান রাখতে এবং জ্বালানি তেল পাচার রোধে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কোনো বিকল্প ছিল না বলেও জানিয়েছিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।