ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

ক্যালিফোর্নিয়ায় শতকোটিপতিদের সম্পদে ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব

  • আপডেট সময় : ১০:১৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় শতকোটিপতিদের নিট সম্পদের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা খাতে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়ন কমে যাবে—এমন আশঙ্কায় এই কর থেকে ১০ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের আশঙ্কা, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। ধনীরা অন্য অঙ্গরাজ্যে চলে যাবেন। এমনকি রাজস্বও কমে যেতে পারে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটাররা শতকোটিপতিদের সম্পদের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাবেও ভোট দেবেন। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসকারী যেসব ব্যক্তির নিট সম্পদের পরিমাণ অন্তত ১০০ কোটি ডলার ছিল, তাঁদের ওপর এই কর প্রযোজ্য হবে। অঙ্গরাজ্যটির ২০০ জনের বেশি শতকোটিপতি এ করের আওতায় আসবেন।

বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের অন্যতম ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া। প্রযুক্তি, বিনোদন ও অর্থনীতির বড় কেন্দ্র এই অঙ্গরাজ্য। মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ, গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সার্গেই ব্রিন, চলচ্চিত্র নির্মাতা জর্জ লুকাস, রিয়েলিটি টেলিভিশন তারকা কিম কার্ডাশিয়ানের মতো ধনীদের এই রাজ্যে বসবাস। একদিকে বিপুলসংখ্যক শতকোটিপতিদের বসবাস, আরেকদিকে গৃহহীন মানুষের সংখ্যাও এই অঙ্গরাজ্য সবচেয়ে বেশি। ধনী-দরিদ্রের ব্যবধানও অনেক।

স্বাস্থ্যসেবায় অর্থায়ন লক্ষ্য

কর আরোপের উদ্যোগের মূল কারণ হলো, স্বাস্থ্যসেবায় অর্থসংকটের আশঙ্কা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর ও ব্যয়সংক্রান্ত আইনের কারণে ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্যসেবা খাতে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়ন কমে যেতে পারে। এই ঘাটতি সামাল দিতে স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে প্রস্তাবটি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠনগুলো।

প্রস্তাবটির সমর্থক সার্ভিস এমপ্লয়িজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন-ইউনাইটেড হেলথকেয়ার ওয়ার্কার্স ওয়েস্টের প্রধান কর্মকর্তা সুজান জিমেনেজ বলেন, স্বাস্থ্যসেবার অর্থায়নে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় এই উদ্যোগ প্রয়োজন। তাঁর মতে, নতুন উদ্যোগ নেওয়া না হলে অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি আছে।

ধনীরা ক্যালিফোর্নিয়া ছাড়ছেন

প্রস্তাবটির বিরোধীদের মধ্যে আছেন প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা ও ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। তাঁর আশঙ্কা, নতুন করের কারণে ধনী ব্যক্তিরা অন্য অঙ্গরাজ্যে চলে যেতে পারেন। এতে তাঁদের কাছ থেকে আয়কর বাবদ যে রাজস্ব পাওয়া যায়, তা কমে যেতে পারে।

ইতিমধ্যে কয়েকজন শতকোটিপতি ক্যালিফোর্নিয়া ছেড়েছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। তাঁদের মধ্যে আছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, বিনিয়োগকারী পিটার থিয়েল, উবারের সাবেক প্রধান নির্বাহী ট্রাভিস কালানিক ও ব্যবসায়ী ডন হ্যাংকি।

ডন হ্যাংকি বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ায় তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু প্রস্তাবিত করের কারণে তাঁকে এই রাজ্য ছাড়তে হয়েছে।

মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গও ক্যালিফোর্নিয়ার বাইরে স্থায়ী আবাস গড়ার কথা বিবেচনা করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন বা ২০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে তাঁর করের দায় ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

ধনীদের মধ্যেও মতভেদ

সব শতকোটিপতি অবশ্য সম্পদকরের বিরোধী নন। এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং ও ব্যবসায়ী টম স্টেয়ার এই করের পক্ষে। অন্যদিকে গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন কর প্রস্তাবের বিরোধিতায় ১০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছেন বলে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানিয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের ২০২৬ সালের গবেষণায় বলা হয়েছে, সম্পদকর থেকে কত রাজস্ব আদায় হবে, তা নির্ভর করে করের কাঠামো, ছাড়, কর ফাঁকি ও করদাতাদের আচরণের ওপর। এ ধরনের কর ধনীদের দেশত্যাগে উৎসাহিত করতে পারে, তবে এর প্রভাব দেশভেদে ভিন্ন।

ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলি ইনস্টিটিউট অব গভর্নমেন্টাল স্টাডিজ ও লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস যৌথভাবে ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর এক জরিপ পরিচালনা করে। জরিপে অংশ নেন ৬ হাজার ৯৮৯ জন নিবন্ধিত ভোটার। তাঁদের মধ্যে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ৪ হাজার ৫১২ জন। জরিপে সম্পদকরের পক্ষে ভোট পড়ে ৪৫ শতাংশ, বিপক্ষে ৪২ শতাংশ। সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন ১৩ শতাংশ ভোটার।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

ক্যালিফোর্নিয়ায় শতকোটিপতিদের সম্পদে ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১০:১৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় শতকোটিপতিদের নিট সম্পদের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা খাতে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়ন কমে যাবে—এমন আশঙ্কায় এই কর থেকে ১০ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের আশঙ্কা, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। ধনীরা অন্য অঙ্গরাজ্যে চলে যাবেন। এমনকি রাজস্বও কমে যেতে পারে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটাররা শতকোটিপতিদের সম্পদের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাবেও ভোট দেবেন। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসকারী যেসব ব্যক্তির নিট সম্পদের পরিমাণ অন্তত ১০০ কোটি ডলার ছিল, তাঁদের ওপর এই কর প্রযোজ্য হবে। অঙ্গরাজ্যটির ২০০ জনের বেশি শতকোটিপতি এ করের আওতায় আসবেন।

বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের অন্যতম ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া। প্রযুক্তি, বিনোদন ও অর্থনীতির বড় কেন্দ্র এই অঙ্গরাজ্য। মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ, গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সার্গেই ব্রিন, চলচ্চিত্র নির্মাতা জর্জ লুকাস, রিয়েলিটি টেলিভিশন তারকা কিম কার্ডাশিয়ানের মতো ধনীদের এই রাজ্যে বসবাস। একদিকে বিপুলসংখ্যক শতকোটিপতিদের বসবাস, আরেকদিকে গৃহহীন মানুষের সংখ্যাও এই অঙ্গরাজ্য সবচেয়ে বেশি। ধনী-দরিদ্রের ব্যবধানও অনেক।

স্বাস্থ্যসেবায় অর্থায়ন লক্ষ্য

কর আরোপের উদ্যোগের মূল কারণ হলো, স্বাস্থ্যসেবায় অর্থসংকটের আশঙ্কা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর ও ব্যয়সংক্রান্ত আইনের কারণে ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্যসেবা খাতে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়ন কমে যেতে পারে। এই ঘাটতি সামাল দিতে স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে প্রস্তাবটি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠনগুলো।

প্রস্তাবটির সমর্থক সার্ভিস এমপ্লয়িজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন-ইউনাইটেড হেলথকেয়ার ওয়ার্কার্স ওয়েস্টের প্রধান কর্মকর্তা সুজান জিমেনেজ বলেন, স্বাস্থ্যসেবার অর্থায়নে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় এই উদ্যোগ প্রয়োজন। তাঁর মতে, নতুন উদ্যোগ নেওয়া না হলে অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি আছে।

ধনীরা ক্যালিফোর্নিয়া ছাড়ছেন

প্রস্তাবটির বিরোধীদের মধ্যে আছেন প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা ও ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। তাঁর আশঙ্কা, নতুন করের কারণে ধনী ব্যক্তিরা অন্য অঙ্গরাজ্যে চলে যেতে পারেন। এতে তাঁদের কাছ থেকে আয়কর বাবদ যে রাজস্ব পাওয়া যায়, তা কমে যেতে পারে।

ইতিমধ্যে কয়েকজন শতকোটিপতি ক্যালিফোর্নিয়া ছেড়েছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। তাঁদের মধ্যে আছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, বিনিয়োগকারী পিটার থিয়েল, উবারের সাবেক প্রধান নির্বাহী ট্রাভিস কালানিক ও ব্যবসায়ী ডন হ্যাংকি।

ডন হ্যাংকি বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ায় তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু প্রস্তাবিত করের কারণে তাঁকে এই রাজ্য ছাড়তে হয়েছে।

মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গও ক্যালিফোর্নিয়ার বাইরে স্থায়ী আবাস গড়ার কথা বিবেচনা করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন বা ২০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে তাঁর করের দায় ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

ধনীদের মধ্যেও মতভেদ

সব শতকোটিপতি অবশ্য সম্পদকরের বিরোধী নন। এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং ও ব্যবসায়ী টম স্টেয়ার এই করের পক্ষে। অন্যদিকে গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন কর প্রস্তাবের বিরোধিতায় ১০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছেন বলে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানিয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের ২০২৬ সালের গবেষণায় বলা হয়েছে, সম্পদকর থেকে কত রাজস্ব আদায় হবে, তা নির্ভর করে করের কাঠামো, ছাড়, কর ফাঁকি ও করদাতাদের আচরণের ওপর। এ ধরনের কর ধনীদের দেশত্যাগে উৎসাহিত করতে পারে, তবে এর প্রভাব দেশভেদে ভিন্ন।

ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলি ইনস্টিটিউট অব গভর্নমেন্টাল স্টাডিজ ও লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস যৌথভাবে ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর এক জরিপ পরিচালনা করে। জরিপে অংশ নেন ৬ হাজার ৯৮৯ জন নিবন্ধিত ভোটার। তাঁদের মধ্যে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ৪ হাজার ৫১২ জন। জরিপে সম্পদকরের পক্ষে ভোট পড়ে ৪৫ শতাংশ, বিপক্ষে ৪২ শতাংশ। সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন ১৩ শতাংশ ভোটার।