ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি বিএসইসির নতুন সিদ্ধান্তে আংশিক সচল হচ্ছে স্থগিত কিছু বিও অ্যাকাউন্ট শেয়ারবাজারে ঋণ করে বিনিয়োগ করলে লাভ কতটা, ঝুঁকি কেমন ১২ বছরের ক্রীতদাস বালকের হাতে বৈশ্বিক মসলায় পরিণত হয়েছিল ভ্যানিলা তৈরি পোশাকশিল্প মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা ভারতে স্বর্ণের ‘আমদানি’ বাড়ল ১৫০০ শতাংশ, ৩ টন থেকে একলাফে ৫০ টন ২০৫১ সালে ‘বয়স্ক অর্থনীতিতে’ প্রবেশ করবে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক ই-কমার্সে শক্ত অবস্থান গড়ছে রিমার্ক, আলিবাবার সঙ্গে চুক্তি সই অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানো সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

যে কারণে বাতিল হতে পারে এনআইডির আবেদন, ইসির নতুন সিদ্ধান্ত

  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্য অনলাইনে আবেদন করেও দীর্ঘদিন বায়োমেট্রিক তথ্য দেননি—এমন আবেদনকারীদের ঝুলে থাকা আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছবি, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের তথ্য না দিলে আবেদন আর সিস্টেমে বহাল থাকবে না।

এ ছাড়া, সার্ভার ও ডেটাবেজের চাপ কমাতে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা আবেদন এবং পুরোনো নথি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। এ বিষয়ে প্রযুক্তিগত নির্দেশনার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয়গুলোতে সংরক্ষিত কাগজপত্র অপসারণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

যেসব কারণে বাতিল হতে পারে আবেদন

ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অনলাইনে নতুন ভোটার নিবন্ধনের ফরম পূরণ করার পর নির্ধারিত নির্বাচন অফিস বা বুথে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য না দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ নেওয়া ও চোখের আইরিশ যাচাইয়ের মতো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা।

দীর্ঘদিন আবেদন ঝুলিয়ে রাখার কারণে সার্ভারে অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে কমিশন। নির্ধারিত সময়সীমা পার হলে এ ধরনের আবেদন সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একইভাবে, এনআইডির নাম, ঠিকানা বা জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন করে দীর্ঘদিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়া কিংবা নির্ধারিত বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলেও আবেদন বাতিলের আওতায় আসতে পারে।

পুরোনো ভোটার নিবন্ধন ফরম অপসারণের নির্দেশ

এনআইডির আবেদন নিষ্পত্তির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের উপজেলা ও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে সংরক্ষিত পুরোনো নথিপত্র অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ইসি।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে সংরক্ষিত যেসব ভোটার নিবন্ধন ফরম-২ স্ক্যান করে সার্ভারে আপলোড করা হয়েছে, সেসব কাগজপত্র অপসারণ করা হবে। এ প্রক্রিয়া আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে মাঠপর্যায়ের কার্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত মূল ভোটার নিবন্ধন ফরমগুলো আগের মতোই গোপনীয়তার সঙ্গে কার্যালয়ে সংরক্ষণ করতে হবে।

পুরোনো নথি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

পুরোনো কাগজপত্র অপসারণের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। বাতিলের জন্য নির্ধারিত নথিপত্র কোনোভাবেই খোলাবাজারে বিক্রি করা যাবে না।

নির্দেশনায় এসব কাগজ সরাসরি মণ্ড তৈরির কাজে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি কাগজপত্রের নিরাপদ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে চায় নির্বাচন কমিশন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি

যে কারণে বাতিল হতে পারে এনআইডির আবেদন, ইসির নতুন সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্য অনলাইনে আবেদন করেও দীর্ঘদিন বায়োমেট্রিক তথ্য দেননি—এমন আবেদনকারীদের ঝুলে থাকা আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছবি, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের তথ্য না দিলে আবেদন আর সিস্টেমে বহাল থাকবে না।

এ ছাড়া, সার্ভার ও ডেটাবেজের চাপ কমাতে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা আবেদন এবং পুরোনো নথি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। এ বিষয়ে প্রযুক্তিগত নির্দেশনার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয়গুলোতে সংরক্ষিত কাগজপত্র অপসারণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

যেসব কারণে বাতিল হতে পারে আবেদন

ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অনলাইনে নতুন ভোটার নিবন্ধনের ফরম পূরণ করার পর নির্ধারিত নির্বাচন অফিস বা বুথে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য না দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ নেওয়া ও চোখের আইরিশ যাচাইয়ের মতো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা।

দীর্ঘদিন আবেদন ঝুলিয়ে রাখার কারণে সার্ভারে অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে কমিশন। নির্ধারিত সময়সীমা পার হলে এ ধরনের আবেদন সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একইভাবে, এনআইডির নাম, ঠিকানা বা জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন করে দীর্ঘদিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়া কিংবা নির্ধারিত বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলেও আবেদন বাতিলের আওতায় আসতে পারে।

পুরোনো ভোটার নিবন্ধন ফরম অপসারণের নির্দেশ

এনআইডির আবেদন নিষ্পত্তির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের উপজেলা ও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে সংরক্ষিত পুরোনো নথিপত্র অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ইসি।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে সংরক্ষিত যেসব ভোটার নিবন্ধন ফরম-২ স্ক্যান করে সার্ভারে আপলোড করা হয়েছে, সেসব কাগজপত্র অপসারণ করা হবে। এ প্রক্রিয়া আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে মাঠপর্যায়ের কার্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত মূল ভোটার নিবন্ধন ফরমগুলো আগের মতোই গোপনীয়তার সঙ্গে কার্যালয়ে সংরক্ষণ করতে হবে।

পুরোনো নথি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

পুরোনো কাগজপত্র অপসারণের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। বাতিলের জন্য নির্ধারিত নথিপত্র কোনোভাবেই খোলাবাজারে বিক্রি করা যাবে না।

নির্দেশনায় এসব কাগজ সরাসরি মণ্ড তৈরির কাজে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি কাগজপত্রের নিরাপদ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে চায় নির্বাচন কমিশন।