ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ টানা সাত মাস ৫ শতাংশের নিচে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলতে থাকলে ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলায় এনআইডির বাধ্যবাধকতা শিথিল ও ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যাংক এমডিদের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পার হচ্ছে, সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই মুকেশ আম্বানি এখন এশিয়ার সেরা ধনী, সম্পদ কত বাড়ল ‘বাংলা কিউআর’ কোডে ব্যক্তিপর্যায়ে লেনদেন, যেভাবে পাবেন নিজের কোড এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ, ১২ কেজির সিলিন্ডার বেড়ে ২২৩ টাকা

চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে

  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

একের পর এক সংকট সামলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। শুধু ব্যবসা বৃদ্ধি নয়, সরকারের সহায়তা পাওয়ার দিক থেকেও তৈরি পোশাকশিল্প অন্যান্য খাতের চেয়ে এগিয়ে আছে। তবে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরিতে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাওয়া শ্রমিকেরা মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা সুইডেনভিত্তিক এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের গত মার্চের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চীন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক—এই সাত দেশেই পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। দেশের ট্যানারি, জাহাজভাঙা, স মিল এবং নির্মাণ—এই চার খাতে ন্যূনতম মজুরি পোশাকশিল্পের চেয়ে বেশি।

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে গত রোববার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। এরপরও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শ্রমিকনেতারা বলছেন, আগে বোর্ড গঠন করে মজুরি নির্ধারণের কাজ এগিয়ে নিলে এই অস্থিরতা এড়ানো যেত। অন্যদিকে মালিকপক্ষ বলছে, শ্রমিকের কম উৎপাদনশীলতা, কম দামের পোশাক এবং পোশাক তৈরিতে কম মুনাফা হওয়ায় শ্রমিকদের বেতন তুলনামূলক কম।

একের পর এক সংকট সামলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। শুধু ব্যবসা বৃদ্ধি নয়, সরকারের সহায়তা পাওয়ার দিক থেকেও তৈরি পোশাকশিল্প অন্যান্য খাতের চেয়ে এগিয়ে আছে। তবে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরিতে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাওয়া শ্রমিকেরা মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা সুইডেনভিত্তিক এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের গত মার্চের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চীন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক—এই সাত দেশেই পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। দেশের ট্যানারি, জাহাজভাঙা, স মিল এবং নির্মাণ—এই চার খাতে ন্যূনতম মজুরি পোশাকশিল্পের চেয়ে বেশি।

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে গত রোববার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। এরপরও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শ্রমিকনেতারা বলছেন, আগে বোর্ড গঠন করে মজুরি নির্ধারণের কাজ এগিয়ে নিলে এই অস্থিরতা এড়ানো যেত। অন্যদিকে মালিকপক্ষ বলছে, শ্রমিকের কম উৎপাদনশীলতা, কম দামের পোশাক এবং পোশাক তৈরিতে কম মুনাফা হওয়ায় শ্রমিকদের বেতন তুলনামূলক কম।

জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে

তিন বছর আগে তৈরি পোশাকশিল্পে মজুরি বৃদ্ধি হলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে শ্রমিকেরা সেটির সুফল পাননি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে পৌনে ১০ শতাংশে দাঁড়ায়। তারপর আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে সরকার পরিবর্তনের পর শ্রমিকেরা মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলনের মুখে গত বছরের জানুয়ারিতে শ্রমিকেরা ৫ শতাংশের পরিবর্তে ৯ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট (মজুরি বৃদ্ধি) পান।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশ। বিদায়ী অর্থবছরে তা কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ দাঁড়ায়। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৫৬ মাস মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম ছিল। চলমান মধ্যপ্রাচ্যের সংকট প্রকট হওয়ার পর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দাম আরেক দফা বাড়ে।

আরও পড়ুন

চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে

পোশাক কারখানায় কাজ করছেন শ্রমিকেরা

গত মাসে প্রকাশিত বিবিএসের এক জরিপে উঠে এসেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় সবচেয়ে বেশি, ৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা। আর শহরাঞ্চলে প্রতি পরিবারের মাসিক ব্যয় ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা এবং গ্রামাঞ্চলে ৩২ হাজার ৫৩২ টাকা। জাতীয় পর্যায়ে পরিবারের মাসিক ব্যয়ের অর্ধেক খাবার এবং অর্ধেক খাবারবহির্ভূত খাতে ব্যয় হয়।

জানতে চাইলে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, প্রতিযোগী দেশের মজুরি, উৎপাদশীলতাসহ ১১টি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে তিন বছর আগে আমরা বলেছিলাম, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার উপযোগী ন্যূনতম মজুরি হওয়া উচিত ১৭ হাজার ৫০০ টাকা। এখন উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মজুরি অনেক বৃদ্ধির সুযোগ আছে।’ খাদ্য ও চিকিৎসা ভাতার পাশাপাশি শিক্ষা, যাতায়াত ও বিনোদন ভাতা যুক্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অক্টোবরে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা 

চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

একের পর এক সংকট সামলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। শুধু ব্যবসা বৃদ্ধি নয়, সরকারের সহায়তা পাওয়ার দিক থেকেও তৈরি পোশাকশিল্প অন্যান্য খাতের চেয়ে এগিয়ে আছে। তবে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরিতে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাওয়া শ্রমিকেরা মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা সুইডেনভিত্তিক এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের গত মার্চের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চীন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক—এই সাত দেশেই পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। দেশের ট্যানারি, জাহাজভাঙা, স মিল এবং নির্মাণ—এই চার খাতে ন্যূনতম মজুরি পোশাকশিল্পের চেয়ে বেশি।

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে গত রোববার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। এরপরও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শ্রমিকনেতারা বলছেন, আগে বোর্ড গঠন করে মজুরি নির্ধারণের কাজ এগিয়ে নিলে এই অস্থিরতা এড়ানো যেত। অন্যদিকে মালিকপক্ষ বলছে, শ্রমিকের কম উৎপাদনশীলতা, কম দামের পোশাক এবং পোশাক তৈরিতে কম মুনাফা হওয়ায় শ্রমিকদের বেতন তুলনামূলক কম।

একের পর এক সংকট সামলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। শুধু ব্যবসা বৃদ্ধি নয়, সরকারের সহায়তা পাওয়ার দিক থেকেও তৈরি পোশাকশিল্প অন্যান্য খাতের চেয়ে এগিয়ে আছে। তবে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরিতে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাওয়া শ্রমিকেরা মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা সুইডেনভিত্তিক এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের গত মার্চের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চীন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক—এই সাত দেশেই পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। দেশের ট্যানারি, জাহাজভাঙা, স মিল এবং নির্মাণ—এই চার খাতে ন্যূনতম মজুরি পোশাকশিল্পের চেয়ে বেশি।

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে গত রোববার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। এরপরও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শ্রমিকনেতারা বলছেন, আগে বোর্ড গঠন করে মজুরি নির্ধারণের কাজ এগিয়ে নিলে এই অস্থিরতা এড়ানো যেত। অন্যদিকে মালিকপক্ষ বলছে, শ্রমিকের কম উৎপাদনশীলতা, কম দামের পোশাক এবং পোশাক তৈরিতে কম মুনাফা হওয়ায় শ্রমিকদের বেতন তুলনামূলক কম।

জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে

তিন বছর আগে তৈরি পোশাকশিল্পে মজুরি বৃদ্ধি হলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে শ্রমিকেরা সেটির সুফল পাননি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে পৌনে ১০ শতাংশে দাঁড়ায়। তারপর আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে সরকার পরিবর্তনের পর শ্রমিকেরা মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলনের মুখে গত বছরের জানুয়ারিতে শ্রমিকেরা ৫ শতাংশের পরিবর্তে ৯ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট (মজুরি বৃদ্ধি) পান।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশ। বিদায়ী অর্থবছরে তা কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ দাঁড়ায়। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৫৬ মাস মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম ছিল। চলমান মধ্যপ্রাচ্যের সংকট প্রকট হওয়ার পর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দাম আরেক দফা বাড়ে।

আরও পড়ুন

চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তৈরি পোশাকের ব্যবসা বাড়ছে, তবে মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে

পোশাক কারখানায় কাজ করছেন শ্রমিকেরা

গত মাসে প্রকাশিত বিবিএসের এক জরিপে উঠে এসেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় সবচেয়ে বেশি, ৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা। আর শহরাঞ্চলে প্রতি পরিবারের মাসিক ব্যয় ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা এবং গ্রামাঞ্চলে ৩২ হাজার ৫৩২ টাকা। জাতীয় পর্যায়ে পরিবারের মাসিক ব্যয়ের অর্ধেক খাবার এবং অর্ধেক খাবারবহির্ভূত খাতে ব্যয় হয়।

জানতে চাইলে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, প্রতিযোগী দেশের মজুরি, উৎপাদশীলতাসহ ১১টি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে তিন বছর আগে আমরা বলেছিলাম, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার উপযোগী ন্যূনতম মজুরি হওয়া উচিত ১৭ হাজার ৫০০ টাকা। এখন উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মজুরি অনেক বৃদ্ধির সুযোগ আছে।’ খাদ্য ও চিকিৎসা ভাতার পাশাপাশি শিক্ষা, যাতায়াত ও বিনোদন ভাতা যুক্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।