ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার ১০ বছরে ৮৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে ম্যাকডোনাল্ডস, বদলাবে মেনু ও সেবা কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প: মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্থিক অনিয়মের সন্দেহে রাকুল প্রীতদের প্রতিষ্ঠানে আয়কর দপ্তরের তল্লাশি যাঁর সঞ্চয় সবচেয়ে কম, তাঁর কাছ থেকেই নেবে অতিরিক্ত রাজস্ব দুই দিনের মধ্যে আবার কমল সোনার দাম, ভরিতে ২১৫৮ টাকা বাণিজ্য জোট আরসিইপির সদস্য হতে চায় বাংলাদেশ, লাভ কী? আবার বাড়ল তেলের দাম, ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৬ ডলার ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমল স্বর্ণের দাম

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই লাল কার্ড এখনো পোড়ায় এমবোলোকে

  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপের মঞ্চে একটি সিদ্ধান্ত কখনো কখনো পুরো ম্যাচের গল্পই বদলে দেয়। সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর কাছে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের সেই মুহূর্তটিও যেন তেমনই এক দুঃসহ স্মৃতি। ম্যাচের শেষদিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর দলও হেরেছিল অতিরিক্ত সময়ে। সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি এমবোলোর।

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ৩-১ গোলে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় সুইজারল্যান্ড। অথচ নির্ধারিত ৯০ মিনিটে দুই দল ছিল ১-১ সমতায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমবোলোর মাঠ ছাড়ার ঘটনা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

ঘটনার সূত্রপাত এমবোলোর আদায় করা একটি ফাউলকে ঘিরে। লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। পরে ভিএআরের পরামর্শে ঘটনাটি পুনরায় দেখেন তিনি। রিপ্লেতে এমবোলোর সঙ্গে পারেদেসের কোনো সংস্পর্শ না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর পারেদেসের কার্ড প্রত্যাহার করে এমবোলোকেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সুইস ফরোয়ার্ড।

সময় পেরিয়ে গেলেও সেই সিদ্ধান্তের হতাশা কাটেনি এমবোলোর। দ্য অ্যাথলেটিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,  ‘খেলোয়াড় হিসেবে আমরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কারণ আমরা জানতাম, ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারলে জয়ের সামর্থ্য আমাদের ছিল। অবশ্যই সেই মুহূর্তটি আমাকে প্রভাবিত করেছে এবং দলকেও কষ্ট দিয়েছে। আর শেষ পর্যন্ত সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে রেফারি তার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আর খেলাধুলায় এ ধরনের ভুল থাকেই।’

তবে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আক্ষেপ থাকলেও সেটিকে খেলারই অংশ হিসেবে মেনে নেয়ার কথা বলেছেন এমবোলো। তার কাছে ম্যাচটি হারার যন্ত্রণাটাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড়। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই পরাজয় নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিযোগিতাপ্রবণ মানুষ। হার মেনে নেয়া আমার জন্য কঠিন।’

তবে লাল কার্ডের চেয়েও বড় যে বিষয়টি এমবোলোর মনে কষ্ট দিচ্ছে, সেটি হলো বিশ্বকাপে ফেরার অনিশ্চয়তা। একটি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে কতটা পথ পাড়ি দিতে হয়, সেটি তিনি জানেন। তাই চার বছর পর আবার এমন সুযোগ আসবে কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।

এমবোলোর মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে পরের সুযোগের জন্য হয়তো আরও চার বছর অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু সেই সময় পর্যন্ত কী হবে, তা কেউ জানে না। আর এ কারণেই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া তার জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

টিএম

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই লাল কার্ড এখনো পোড়ায় এমবোলোকে

আপডেট সময় : ০৯:০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বকাপের মঞ্চে একটি সিদ্ধান্ত কখনো কখনো পুরো ম্যাচের গল্পই বদলে দেয়। সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর কাছে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের সেই মুহূর্তটিও যেন তেমনই এক দুঃসহ স্মৃতি। ম্যাচের শেষদিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর দলও হেরেছিল অতিরিক্ত সময়ে। সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি এমবোলোর।

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ৩-১ গোলে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় সুইজারল্যান্ড। অথচ নির্ধারিত ৯০ মিনিটে দুই দল ছিল ১-১ সমতায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমবোলোর মাঠ ছাড়ার ঘটনা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

ঘটনার সূত্রপাত এমবোলোর আদায় করা একটি ফাউলকে ঘিরে। লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। পরে ভিএআরের পরামর্শে ঘটনাটি পুনরায় দেখেন তিনি। রিপ্লেতে এমবোলোর সঙ্গে পারেদেসের কোনো সংস্পর্শ না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর পারেদেসের কার্ড প্রত্যাহার করে এমবোলোকেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সুইস ফরোয়ার্ড।

সময় পেরিয়ে গেলেও সেই সিদ্ধান্তের হতাশা কাটেনি এমবোলোর। দ্য অ্যাথলেটিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,  ‘খেলোয়াড় হিসেবে আমরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কারণ আমরা জানতাম, ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারলে জয়ের সামর্থ্য আমাদের ছিল। অবশ্যই সেই মুহূর্তটি আমাকে প্রভাবিত করেছে এবং দলকেও কষ্ট দিয়েছে। আর শেষ পর্যন্ত সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে রেফারি তার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আর খেলাধুলায় এ ধরনের ভুল থাকেই।’

তবে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আক্ষেপ থাকলেও সেটিকে খেলারই অংশ হিসেবে মেনে নেয়ার কথা বলেছেন এমবোলো। তার কাছে ম্যাচটি হারার যন্ত্রণাটাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড়। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই পরাজয় নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিযোগিতাপ্রবণ মানুষ। হার মেনে নেয়া আমার জন্য কঠিন।’

তবে লাল কার্ডের চেয়েও বড় যে বিষয়টি এমবোলোর মনে কষ্ট দিচ্ছে, সেটি হলো বিশ্বকাপে ফেরার অনিশ্চয়তা। একটি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে কতটা পথ পাড়ি দিতে হয়, সেটি তিনি জানেন। তাই চার বছর পর আবার এমন সুযোগ আসবে কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।

এমবোলোর মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে পরের সুযোগের জন্য হয়তো আরও চার বছর অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু সেই সময় পর্যন্ত কী হবে, তা কেউ জানে না। আর এ কারণেই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া তার জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

টিএম