নেপাল-চীন সীমান্তে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর উদ্ধার অভিযানে নেমেছেন উদ্ধারকর্মীরা। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং যোগাযোগ অবকাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়ায় বিপর্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও অস্পষ্ট।
নেপাল সরকার জানিয়েছে, দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই বিদেশি নাগরিক।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া অন্তত ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের এই সংখ্যা নেপালের তালিকার সঙ্গে ওভারল্যাপ করছে কি না, তা এখনও অস্পষ্ট।
নেপালে এর আগেও আকস্মিক বন্যা ও বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাক্ষী এক অভিজ্ঞ পর্বতারোহী বিবিসিকে জানান, এই দুর্যোগটি কতটা ‘বিস্ফোরক’ এবং ‘নৃশংস’ রূপ নিতে পারে, তা তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না।
বন্যার মূল কারণ সম্পর্কে ধীরে ধীরে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে। বিশেষজ্ঞরা এখন ধারণা করছেন, ভূমিকম্পের কারণে নয়, বরং ‘হিমবাহ ধস এবং ধ্বংসাবশেষের প্রবাহের’ ফলেই এই বিপর্যয় ঘটেছে।
একই সঙ্গে নদীগুলোতে জমে থাকা ধ্বংসাবশেষের কারণে ‘দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়েভ’ তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির অন্তত ২৮৮ নাগরিক নেপালে ‘যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন’ অবস্থায় রয়েছেন। আর তামিলনাড়ু প্রদেশ থেকে নেপালে যাওয়া ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

























