ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার ১০ বছরে ৮৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে ম্যাকডোনাল্ডস, বদলাবে মেনু ও সেবা কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প: মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্থিক অনিয়মের সন্দেহে রাকুল প্রীতদের প্রতিষ্ঠানে আয়কর দপ্তরের তল্লাশি যাঁর সঞ্চয় সবচেয়ে কম, তাঁর কাছ থেকেই নেবে অতিরিক্ত রাজস্ব দুই দিনের মধ্যে আবার কমল সোনার দাম, ভরিতে ২১৫৮ টাকা বাণিজ্য জোট আরসিইপির সদস্য হতে চায় বাংলাদেশ, লাভ কী? আবার বাড়ল তেলের দাম, ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৬ ডলার ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমল স্বর্ণের দাম

কয়েক দোকান ঘুরেও মিলছে না সয়াবিন তেল, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা

  • আপডেট সময় : ০৯:০১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

কয়েকদিনের মাথায় আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে পরিশোধন ও সরবরাহ কোম্পানিগুলো। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে এরই মধ্যে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে তারা। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, সে কারণেই বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। বাড়তি দামেও তেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো নজরদারি না থাকারও অভিযোগ তাদের।

চলতি মাসের ২ তারিখে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এরপরও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি বিপণন কোম্পানিগুলো। রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারেই সয়াবিন তেলের সংকট প্রকট হয়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানিগুলো বিক্রির কমিশনও কমিয়ে দিয়েছে। নতুন করে তেলের দাম বাড়াতেই এমন কারসাজি বলে অভিযোগ তাদের। অনেক দোকানি বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন বিক্রি করছেন।

ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর দাবি, কয়েক মাস ধরেই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম বাড়ানো হয়নি। লোকসান এড়াতে সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সরকারের অনুমোদন পেলেই নতুন করে দাম সমন্বয় করা হবে।

টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘বেশি দামে আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। তাই অনেকে আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।’

এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার

কয়েক দোকান ঘুরেও মিলছে না সয়াবিন তেল, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা

আপডেট সময় : ০৯:০১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কয়েকদিনের মাথায় আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে পরিশোধন ও সরবরাহ কোম্পানিগুলো। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে এরই মধ্যে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে তারা। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, সে কারণেই বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। বাড়তি দামেও তেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো নজরদারি না থাকারও অভিযোগ তাদের।

চলতি মাসের ২ তারিখে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এরপরও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি বিপণন কোম্পানিগুলো। রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারেই সয়াবিন তেলের সংকট প্রকট হয়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানিগুলো বিক্রির কমিশনও কমিয়ে দিয়েছে। নতুন করে তেলের দাম বাড়াতেই এমন কারসাজি বলে অভিযোগ তাদের। অনেক দোকানি বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন বিক্রি করছেন।

ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর দাবি, কয়েক মাস ধরেই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম বাড়ানো হয়নি। লোকসান এড়াতে সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সরকারের অনুমোদন পেলেই নতুন করে দাম সমন্বয় করা হবে।

টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘বেশি দামে আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। তাই অনেকে আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।’

এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।