ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবৈধ ২২ অনলাইন পেমেন্ট এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা সপ্তাহ শুরু হলো, কোন সূচক কোথায় আছে জেনে নিন পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার ভিত্তি হতে পারে মিউচুয়াল ফান্ড আগস্টে ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে পোশাক রপ্তানি আগামী ৪ দিনের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলে পাওয়া যাবে করছাড়, পাবেন না কারা দেশের বাজারে আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসনে এডিবির ১০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ হাম উপসর্গে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রেখে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুতের ঘাটতিতে চাপে পোশাক শিল্প

কয়েক দোকান ঘুরেও মিলছে না সয়াবিন তেল, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা

  • আপডেট সময় : ০৯:০১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কয়েকদিনের মাথায় আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে পরিশোধন ও সরবরাহ কোম্পানিগুলো। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে এরই মধ্যে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে তারা। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, সে কারণেই বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। বাড়তি দামেও তেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো নজরদারি না থাকারও অভিযোগ তাদের।

চলতি মাসের ২ তারিখে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এরপরও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি বিপণন কোম্পানিগুলো। রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারেই সয়াবিন তেলের সংকট প্রকট হয়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানিগুলো বিক্রির কমিশনও কমিয়ে দিয়েছে। নতুন করে তেলের দাম বাড়াতেই এমন কারসাজি বলে অভিযোগ তাদের। অনেক দোকানি বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন বিক্রি করছেন।

ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর দাবি, কয়েক মাস ধরেই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম বাড়ানো হয়নি। লোকসান এড়াতে সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সরকারের অনুমোদন পেলেই নতুন করে দাম সমন্বয় করা হবে।

টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘বেশি দামে আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। তাই অনেকে আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।’

এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ ২২ অনলাইন পেমেন্ট এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা

কয়েক দোকান ঘুরেও মিলছে না সয়াবিন তেল, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা

আপডেট সময় : ০৯:০১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কয়েকদিনের মাথায় আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে পরিশোধন ও সরবরাহ কোম্পানিগুলো। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে এরই মধ্যে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে তারা। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, সে কারণেই বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। বাড়তি দামেও তেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো নজরদারি না থাকারও অভিযোগ তাদের।

চলতি মাসের ২ তারিখে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এরপরও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি বিপণন কোম্পানিগুলো। রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারেই সয়াবিন তেলের সংকট প্রকট হয়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানিগুলো বিক্রির কমিশনও কমিয়ে দিয়েছে। নতুন করে তেলের দাম বাড়াতেই এমন কারসাজি বলে অভিযোগ তাদের। অনেক দোকানি বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন বিক্রি করছেন।

ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর দাবি, কয়েক মাস ধরেই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম বাড়ানো হয়নি। লোকসান এড়াতে সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সরকারের অনুমোদন পেলেই নতুন করে দাম সমন্বয় করা হবে।

টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘বেশি দামে আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। তাই অনেকে আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।’

এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। 

দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।