মার্কিন ট্রেজারির বাইব্যাক সহায়তা পরিকল্পনার কারণে ডলারের মান কমে গেছে। এতে করে স্বর্ণের বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬২৩ দশমিক ৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দামও সমান ২ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৬৮০ দশমিক ৬০ ডলারে উঠেছে।
চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ৫ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। টিডি সিকিউরিটিজ-এর পণ্য কৌশলের গ্লোবাল হেড বার্ট মেলেক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘এই গতি অব্যাহত থাকলে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে ৪ হাজার ৭০০ ডলার। আমি মনে করি মার্কিন ডলারের দরপতনও এর (স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি) পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।’
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৯ দশমিক ৬২ ডলার, প্ল্যাটিনাম ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৭৮ দশমিক ৫৮ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৩৪৪ দশমিক ৯৬ ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে দেশের বাজারে এখন ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।




















