এখন থেকে বিদেশ ভ্রমণে বিদেশি বিমান সংস্থার যেকোনো দামের টিকিট কাটা যাবে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনযোগ্য ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডে। এই সুবিধা কার্যকর হবে বিদেশি মালিকানাধীন ১৭ বিমান সংস্থার ক্ষেত্রে।
বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনযোগ্য ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডে বিমান টিকিট কাটতে ৩০০ ডলারের বেশি খরচ করা যায় না। নতুন নিয়মে, বিদেশি বিমান সংস্থা থেকে বিদেশ ভ্রমণের টিকিট কাটতে খরচের এই সীমা থাকছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল নতুন এক নির্দেশনায় কার্ডে বিমান টিকিট কেনার সুযোগ সহজ করেছে। এর ফলে যেকোনো দামের টিকিট কাটা যাবে দ্বৈত মুদ্রায় লেনদেনযোগ্য কার্ডে। বিমান টিকিট কেনা বাবদ কার্ডে যে অর্থ ব্যয় হবে, তা ভ্রমণ কোটার জন্য সংরক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রার সীমার আওতার বাইরে থাকবে।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, এখন কার্ডে ৩০০ ডলারের বেশি দামের বিমান টিকিট কেনা যায় না। ৩০০ ডলারের বেশি দামের টিকিট কিনতে কার্ড প্রদানকারী ব্যাংকের অনুমতি নিতে হয়। নতুন ব্যবস্থায় বাংলাদেশের সঙ্গে বিমান চলাচল রয়েছে এমন ১৭টি বিদেশি বিমান সংস্থার টিকিট কিনতে টিকিটের পুরো দাম কার্ডে পরিশোধ করা যাবে। তাৎক্ষণিকভাবে এই অর্থ সংশ্লিষ্ট ক্রেতার বিদেশ ভ্রমণ জন্য সংরক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার সীমার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। পরে টিকিটের দাম যখন সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বিদেশি বিমান সংস্থাকে পরিশোধ করে দেবে, তখন ভ্রমণকারী বা টিকিটের ক্রেতার কার্ডে ভ্রমণ কোটায় সমপরিমাণ ডলার যুক্ত করা হবে।
ভ্রমণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ ভ্রমণে বিমান টিকিট কাটার ক্ষেত্রের ৩০০ ডলারে সীমা তুলে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে আসছিল। তাদের মতে, এই সীমা আরোপের কারণে বিদেশ ভ্রমণে বিমান টিকিট কাটতে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় তাদের। অবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই সীমা তুলে নিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ট্রাভেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা।



















