নিত্যপণ্যের বাজারে টানা অস্থিরতায় দিশেহারা সাধারণ মানুষ। মুরগি মাছ, ডিম ও সবজি সবকিছুর দামই আকাশছোঁয়া। জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় সংকটে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। প্রায় প্রতিটি জিনিসের দামই চড়া। বিশেষ করে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
ডজনপ্রতি ডিমের দাম এক সপ্তাহর বেশি সময় ধরে ১২০ থেকে ১৫০ টাকার ঘরে। ফলে পাতে ন্যূনতম আমিষ যোগাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের রান্নাঘর হিমশিম খাচ্ছে। ডিম বিক্রেতারা জানান, গেল এক সপ্তাহ ধরে ডিমের দর বেশি। হালি ৫০টাকা, ডজন ১৫০টাকা। পাইকারি দর বেশি হওয়ায় খুচরাতেও বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।
এক সবজি বিক্রেতা জানান, এখন মরিচের দাম কম। কেজি ১২০টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। টমেটো দেশের বাহির থেকে আমদানি করতে হয়, তাই দাম বেশি। ক্রেতারা জানান, সব সবজির দাম বেশি। কোনও কিছু নাগালের মধ্যে নেই। আয় সঙ্গে ব্যয়ের কোনও মিল পাচ্ছেন না।
মাছ মাংসের বাজারেও নেই স্বস্তির খবর। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো মাছও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে আকারভেদে তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম ঠেকেছে ১৯০-২১০ টাকায়। মুরগী বিক্রেতারা জানান, এ সপ্তাহে মুরগীর সরবরাহ কম। এজন্য দাম বেশি।
নিয়ন্ত্রণহীন বাজার ব্যবস্থা ও তদারকির অভাবে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মাঝে। বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি সবার।




















