ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার ১০ বছরে ৮৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে ম্যাকডোনাল্ডস, বদলাবে মেনু ও সেবা কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প: মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্থিক অনিয়মের সন্দেহে রাকুল প্রীতদের প্রতিষ্ঠানে আয়কর দপ্তরের তল্লাশি যাঁর সঞ্চয় সবচেয়ে কম, তাঁর কাছ থেকেই নেবে অতিরিক্ত রাজস্ব দুই দিনের মধ্যে আবার কমল সোনার দাম, ভরিতে ২১৫৮ টাকা বাণিজ্য জোট আরসিইপির সদস্য হতে চায় বাংলাদেশ, লাভ কী? আবার বাড়ল তেলের দাম, ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৬ ডলার ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমল স্বর্ণের দাম

কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এডিসের লার্ভা বেশি, ডেঙ্গু রোগী কম: ডিএনসিসি প্রশাসক

  • আপডেট সময় : ১২:১৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এডিসের লার্ভা বেশি, ডেঙ্গু রোগী কম: ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজধানীর যেসব এলাকায় মানুষের বসবাস ও চলাচল তুলনামূলক কম, সেসব স্থানেই এডিস মশার লার্ভা বেশি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনার কারণে লার্ভার উপস্থিতির তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বিভিন্ন এলাকায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত এডিসের লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। তবে এসব এলাকার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণেই এ ক্ষেত্রে সফলতা এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি অফিস-আদালত, তথ্য ভবন, মার্কেটসহ যেসব স্থানে মানুষের চলাচল কম এবং পানি জমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব জায়গায় বিশেষভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হচ্ছে।

মশক নিধন কার্যক্রমে গাফিলতির অভিযোগে ইতোমধ্যে দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে জানিয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ওষুধ ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞদের অনুমোদনের পরই ব্যবহার করা হয়।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তিন ধরনের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে একটি খোলা চিঠিও দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে মশার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রয়োজন অনুযায়ী ‘সেন্ট্রাল ট্র্যাপ’ স্থাপন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শিশু হাসপাতালসহ প্রয়োজনীয় স্থানগুলোতে এসব ট্র্যাপ ব্যবহার করা হবে।

এর আগে শেকৃবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার, সংরক্ষিত নারী আসন-১৬-এর সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি, শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশারসহ ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার

কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এডিসের লার্ভা বেশি, ডেঙ্গু রোগী কম: ডিএনসিসি প্রশাসক

আপডেট সময় : ১২:১৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর যেসব এলাকায় মানুষের বসবাস ও চলাচল তুলনামূলক কম, সেসব স্থানেই এডিস মশার লার্ভা বেশি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনার কারণে লার্ভার উপস্থিতির তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বিভিন্ন এলাকায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত এডিসের লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। তবে এসব এলাকার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণেই এ ক্ষেত্রে সফলতা এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি অফিস-আদালত, তথ্য ভবন, মার্কেটসহ যেসব স্থানে মানুষের চলাচল কম এবং পানি জমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব জায়গায় বিশেষভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হচ্ছে।

মশক নিধন কার্যক্রমে গাফিলতির অভিযোগে ইতোমধ্যে দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে জানিয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ওষুধ ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞদের অনুমোদনের পরই ব্যবহার করা হয়।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তিন ধরনের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে একটি খোলা চিঠিও দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে মশার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রয়োজন অনুযায়ী ‘সেন্ট্রাল ট্র্যাপ’ স্থাপন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শিশু হাসপাতালসহ প্রয়োজনীয় স্থানগুলোতে এসব ট্র্যাপ ব্যবহার করা হবে।

এর আগে শেকৃবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার, সংরক্ষিত নারী আসন-১৬-এর সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি, শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশারসহ ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।