ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবৈধ ২২ অনলাইন পেমেন্ট এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা সপ্তাহ শুরু হলো, কোন সূচক কোথায় আছে জেনে নিন পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার ভিত্তি হতে পারে মিউচুয়াল ফান্ড আগস্টে ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে পোশাক রপ্তানি আগামী ৪ দিনের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলে পাওয়া যাবে করছাড়, পাবেন না কারা দেশের বাজারে আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসনে এডিবির ১০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ হাম উপসর্গে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রেখে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুতের ঘাটতিতে চাপে পোশাক শিল্প

হেফাজত ইসলামের সমালোচনার জবাব দিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ১২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশের মাধ্যমে একটি উদার ও অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন সমাজ প্রতিষ্ঠাকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে কাজ করবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগ নিয়ে কড়া সমালোচনা করছে হেফাজত ইসলাম-এ বিষয়ে তার মন্তব্য জানতে চান এক সাংবাদিক। জবাবে প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার বলেন, দেশের সব ধর্ম ও মতের মানুষের পারস্পরিক সহাবস্থান নিশ্চিত করে এবং তাদের মতামতকে মূল্যায়ন করেই এই মন্ত্রণালয় তার ভিশন ও মিশন বাস্তবায়ন করবে। ওলামায়ে কেরাম ও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় গিয়েছি। মুহতারাম মনির কাসিম হাফিজুল্লাহ এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে কথা বলেছি। নির্বাচনে একটি দলকে সবাই ভোট দেয় না, তেমনি যেকোনো নিয়োগকেও শতভাগ মানুষ পছন্দ করবে—এমন নয়। তবে যোগাযোগ যত বাড়াবো, ভুল বোঝাবুঝিগুলো তত দূর হয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, আমি এই মন্ত্রণালয়ে নতুন। তাই দেশের প্রথিতযশা ওলামায়ে কেরাম এবং বিভিন্ন ধর্মের গুরু ও নেতৃবৃন্দের কাছে যাওয়া আমারই দায়িত্ব। সবার সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের কনফিউশন বা ভুল বোঝাবুঝি সহজেই দূর করা সম্ভব।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অগ্রাধিকার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত হজে প্রধানমন্ত্রীর সদয় সিলেকশনে জাতীয় হজ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং হজ মনিটরিং কমিটিতে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। ফলে অনেকের সঙ্গে আমার পূর্বপরিচয় রয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক বা অন্য যেকোনো দাপ্তরিক কাজে কোনো স্থবিরতা বা পিছিয়ে থাকলে তা দ্রুত নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন বাংলাদেশে একটি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থাকা দরকার। দেশের প্রায় শতভাগ মানুষই ধর্মপ্রাণ। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি একজন নাগরিককে নৈতিক শিক্ষা দেয়ার কাজটি করে তার নিজ নিজ ধর্মীয় মূল্যবোধ। নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থের সঠিক শিক্ষা চর্চা ও ধারণের মাধ্যমেই সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বহুগুণ বেড়ে যায়। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই ধর্মীয় মূল্যবোধ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে ধারণ করেই দলটিকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছিলেন।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে সরকার। দেশ ও জাতি গঠনে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভিশন ও মিশন বাস্তবায়নে আমরা সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ ২২ অনলাইন পেমেন্ট এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা

হেফাজত ইসলামের সমালোচনার জবাব দিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশের মাধ্যমে একটি উদার ও অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন সমাজ প্রতিষ্ঠাকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে কাজ করবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগ নিয়ে কড়া সমালোচনা করছে হেফাজত ইসলাম-এ বিষয়ে তার মন্তব্য জানতে চান এক সাংবাদিক। জবাবে প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার বলেন, দেশের সব ধর্ম ও মতের মানুষের পারস্পরিক সহাবস্থান নিশ্চিত করে এবং তাদের মতামতকে মূল্যায়ন করেই এই মন্ত্রণালয় তার ভিশন ও মিশন বাস্তবায়ন করবে। ওলামায়ে কেরাম ও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় গিয়েছি। মুহতারাম মনির কাসিম হাফিজুল্লাহ এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে কথা বলেছি। নির্বাচনে একটি দলকে সবাই ভোট দেয় না, তেমনি যেকোনো নিয়োগকেও শতভাগ মানুষ পছন্দ করবে—এমন নয়। তবে যোগাযোগ যত বাড়াবো, ভুল বোঝাবুঝিগুলো তত দূর হয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, আমি এই মন্ত্রণালয়ে নতুন। তাই দেশের প্রথিতযশা ওলামায়ে কেরাম এবং বিভিন্ন ধর্মের গুরু ও নেতৃবৃন্দের কাছে যাওয়া আমারই দায়িত্ব। সবার সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের কনফিউশন বা ভুল বোঝাবুঝি সহজেই দূর করা সম্ভব।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অগ্রাধিকার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত হজে প্রধানমন্ত্রীর সদয় সিলেকশনে জাতীয় হজ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং হজ মনিটরিং কমিটিতে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। ফলে অনেকের সঙ্গে আমার পূর্বপরিচয় রয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক বা অন্য যেকোনো দাপ্তরিক কাজে কোনো স্থবিরতা বা পিছিয়ে থাকলে তা দ্রুত নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন বাংলাদেশে একটি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থাকা দরকার। দেশের প্রায় শতভাগ মানুষই ধর্মপ্রাণ। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি একজন নাগরিককে নৈতিক শিক্ষা দেয়ার কাজটি করে তার নিজ নিজ ধর্মীয় মূল্যবোধ। নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থের সঠিক শিক্ষা চর্চা ও ধারণের মাধ্যমেই সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বহুগুণ বেড়ে যায়। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই ধর্মীয় মূল্যবোধ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে ধারণ করেই দলটিকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছিলেন।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে সরকার। দেশ ও জাতি গঠনে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভিশন ও মিশন বাস্তবায়নে আমরা সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।